একটু খারাপ কাজ করলে কি হয়? আমি তো কারও ক্ষতি করছি না

একটু গাঁজা টানলে ক্ষতি কি? আমি তো কারও ক্ষতি করছি না। একটু মদ খেলে ক্ষতি কি? আমি তো মাতাল হয়ে যাচ্ছি না। একবার দুইবার সিগারেট টানলে ক্ষতি কি? আমার তো ক্যানসার হয়ে যাচ্ছে না।আমি একা সুদ না খেলে কি হবে, অন্যেরা তো সুদ খাওয়া ছেড়ে দিচ্ছে না। আমি একা ঘুষ না দিলে কি হবে, অন্যেরা তো ঘুষ দেওয়া বন্ধ করছে না। আমি নিজে হিন্দি সিরিয়াল না দেখলে কি হবে, অন্যেরা তো হিন্দি সিরিয়াল দেখা বন্ধ করছে না।

আমাদের অনেকের মনেই এই ধরণের প্রশ্ন আসে যে, আমি একা ভালো হলে কি হবে, অন্যেরা তো ভালো হচ্ছে না, দেশের তো কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না, সমাজ তো ভালো হয়ে যাচ্ছে না, দেশে তো দুর্নীতি বন্ধ হচ্ছে না?

কখনও কি ভেবে দেখেছেন, সবাই যদি এরকম চিন্তা করতো, তাহলে কোনোদিন কি পৃথিবীতে কোনো অন্যায় বন্ধ হতো? কোনো দিন কি ভালো কিছু ঘটতো যার জন্য মানুষকে কোনো স্বার্থত্যাগ করতে হয়? পৃথিবীতে প্রত্যেকটা মানুষ যদি এই চিন্তা করতো, তাহলে কি পৃথিবীতে কোনো মানুষ বাকি থাকতো যে সুদখোর, ঘুষখোর, সিরিয়াল-খোর, ধূমপায়ী না? এরকম একটা সমাজে, দেশে আপনি কি বেশিদিন টিকে থাকতে পারতেন?

আরেকটি ব্যাপার হল আপনি সবসময় নিজেকে তুলনা করছেন সমাজের ওই সব সুদখোর, ঘুষখোর, সিরিয়াল-খোরদের সাথে। আপনি কিন্তু নিজেকে সমাজের ভালো মানুষদের সাথে তুলনা করছেন না। আপনার আশে পাশে হয়তো পঞ্চাশ জন সুদখোর, ঘুষখোর, দুর্নীতিবাজ মানুষ আছে। আপনি তাদেরকে আপনার মডেল হিসেবে নিয়ে, কেন আপনি তাদের মতো হতে পারবেন না, তা নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগছেন। অথচ সমাজে যে আরও বিশ জন সৎ মানুষ আছেন – যারা পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়েন, রোযা রাখেন, সৎ চাকরি করেন, কখনও ঘুষ নেন না, সুদ খান না, দুর্নীতি করেন না, হিন্দি সিরিয়াল দেখেন না, তাদের সাথে কিন্তু আপনি নিজেকে তুলনা করছেন না।

এখন আপনি বলতে পারেন, সুদ না দিলে বাংলাদেশে কোনো কাজ হয় না। ঘুষ না দিলে কোনো সেবা পাওয়া যায় না। একটু দুর্নীতি না করলে উপরে ওঠা যায় না। বাংলাদেশে যদি একটা বাড়ি, গাড়ি, জমি করতে চাই, আমাকে কিছু সুদ নিতে বা দিতে হবেই, কিছু ঘুষ দিতে হবেই, কিছু দুই নাম্বারি করতে হবেই। বাংলাদেশ তো মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, ইংল্যান্ড, আমেরিকা না, যে এখানে সৎ ভাবে চলে জীবনে বড় কিছু হওয়া যায়।

প্রথমত, আপনার কাছে বড় হবার সংজ্ঞা হচ্ছে – আমি যেভাবেই হোক বাড়ি, গাড়ি, জমি করবো, তার জন্য আমাকে যত খারাপ কাজই করতে হোক না কেন। আপনি সুদের লোণ নিয়ে যে বাড়িটা করলেন, সেটা আপনার বাড়ি না। সেটা ওই সব গরিব লোকদের বাড়ি, যাদের রক্ত চুষে ব্যাংক গুলো আপনাকে লোণ দিয়েছে এবং আপনার লোণের টাকা উঠাতে তাদের উপর সুদের বোঝা বাড়িয়ে দিয়েছে। আপনার বাড়িটা ওই সব লক্ষ লক্ষ মানুষের, যারা আজকে আরও বেশি ব্যাংকের সার্ভিস চার্জ দিতে বাধ্য হয়েছে কারণ ব্যাংক আপনার লোণের টাকাটা বের করার জন্য গ্রাহকদের উপর সার্ভিস চার্জ বাড়িয়ে দিয়েছে। আপনি মানুষকে বলে বেড়াচ্ছেন – “ভাই, আমার বাড়িটা সস্তাই পড়েছে, মাত্র তিন কোটি টাকা।” ওই বাড়িটার লোণের টাকা তো এসেছে লক্ষ গরিবের কাছ থেকে, লক্ষ ব্যাংকের গ্রাহকের কাছ থেকে! আপনি কিভাবে ওই বাড়ির মালিক হলেন? একইভাবে ঘুষের টাকায় কেনা জমিটা নিয়ে আপনার গর্ব করার কোনো কারণ নেই, কারণ আপনি বহু কষ্ট করে ঘুষ নিয়ে এবং দিয়ে যে জমিটা কিনেছেন সেটা জাহান্নামের জমির একটা অংশ। জাহান্নামের একটা অংশ কিনে যদি আপনি শান্তি অনুভব করেন, গর্ব অনুভব করেন এবং মানুষকে বলে বেড়ান – “ভাই, জাহান্নামে পাঁচ কাঠার একটা জমি কিনলাম। ওখানে বাড়ি করবো না এপার্টমেন্ট করবো চিন্তা করছি।” – তাহলে আপনার মতো বোকা আর কেউ হতে পারে না।

দ্বিতীয়ত, আপনি যদি মনে করেন বাংলাদেশে সব বড় লোকরাই বড় লোক হয়েছে দুই নাম্বারি করে, বাড়ি, গাড়ি, জমি করেছে ঘুষ দিয়ে, তাহলে আপনি সেলফ ডিলিউসনে ভুগছেন। আমি কোনোদিন একটা টাকাও ঘুষ দেইনি, সুদ দেইনি কিন্তু আল্লাহ ঠিকই আমাকে বাড়ি, গাড়ি, জমি করতে দিয়েছেন। অবশ্যই এজন্য আমাকে অন্যদের থেকে অনেক বেশি টাকা খরচ করতে হয়েছে প্রত্যেকটা কাজ করার জন্য, কিন্তু তাতে কি? নিয়ম মেনে যেখানে যেই টাকা দেওয়া দরকার সেটা দিয়েছি, ঘুষ দিয়ে বিল ফাঁকি দেবার চেষ্টা করিনি যাতে করে সারা জীবন নিজের মধ্যে একটা অপরাধ বোধ ধরে রাখতে হয়। আপনি যখন সিদ্ধান্ত নিবেন আপনি কোনো ভাবেই আল্লাহ্‌র নির্দেশ অমান্য করবেন না দুনিয়ায় কিছু লাভ করার জন্য, তখন আল্লাহ্‌ যে আপনাকে কতভাবে পথ দেখিয়ে দিবেন, কত ভাবে সাহায্য করবেন দুর্নীতি থেকে দূরে থাকার জন্য, সেটা আপনি শুধু অবাক হয়ে দেখতে থাকবেন।

যারা এটা বিশ্বাস করে না যে তাদের প্রত্যেককে নিজ নিজ অন্যায়ের জন্য উচ্চতর কোনো ক্ষমতার কাছে জবাব দিতে হবে, তারাই এধরণের প্রশ্ন করে – “একটু, আধটু খারাপ কাজ করলে কি হয়? আমি তো কারও ক্ষতি করছি না?” তারা এখনও এটা পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারেনি যে, তাদের থেকে বড় কোনো ক্ষমতার অধীনে তারা আছে, যিনি তাদের প্রত্যেকটা কথা, কাজ এবং চিন্তার হিসাব রাখছেন। এধরণের মানুষের কাছে ‘লোকে কি বলবে’ সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ‘লোকে কি বলবে’ এই ভয়ে তারা সুদের লোণ নিয়ে বাড়ি-গাড়ি কিনবে যেন মানুষকে মুখ দেখাতে পারে, ঘুষ দিয়ে প্রমোশন নিবে, চুরি করে পরীক্ষায় পাস করবে। এমনকি তারা সোয়া নগ্ন হয়ে মাথা, চুল, গলা, ঘাড়, হাত, বুক ও পিঠের উপরের অংশ বের করে সমাজে চলাফেরাও করবে। তারা ‘লোকে কি বলবে’-কে এতই ভয় পায় যে, তারা কখনও চিন্তা করে দেখে না, তারা কি ঘোষণা দিয়েছিল, যখন তারা বলেছিলঃ

 লা ইলাহা ইল্লা ল্লাহ্‌ – আল্লাহ্‌ ছাড়া অন্য কোনোই প্রভু নেই।

বরং তাদের চিন্তা-ভাবনা, কথা, কাজের মধ্যে দিয়ে প্রতিদিন তারা ঘোষণা দিচ্ছেঃ

লা ইলাহা ইল্লা ‘লোকে কি বলবে’

কালেমা পড়ে কাকে তারা সবচেয়ে বড় প্রভু হিসেবে মেনে নিয়েছে – সেটা এখনও তারা পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারেনি। এধরণের মানুষের কাছে আল্লাহ্‌ সবচেয়ে বড় প্রভু নয়, বরং তাদের কাছে ‘লোকে কি বলবে’ আল্লাহ্‌র থেকেও বড় প্রভু। যখনি তাদের জীবনে কোনো পরিস্থিতি আসে যেখানে তাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হয় – “আমি এটা করলে তো আল্লাহ্‌ রাগ করবে, কিন্তু না করলে লোকে কি বলবে?”, তখন তারা আল্লাহ্‌র থেকে ‘লোকে কি বলবে’ কে বেশি ভয় পায় এবং আল্লাহ্‌কে উপেক্ষা করে ‘লোকে কি বলবে’ ঠেকানোর জন্য যা করা দরকার সেটাই করে।

এরপরেও কিছু লোক আছে যারা অন্যকে আল্লাহর সমান মনে করে। তাকে তারা এমন ভাবে ভালবাসে, যেভাবে আল্লাহকে ভালবাসার কথা। কিন্তু যারা বিশ্বাসী তারা আল্লাহকে সবচেয়ে বেশি ভালবাসে। হায়রে যদি অন্যায়কারীরা দেখতে পেত [যেটা তারা পাবে, যখন তারা শাস্তির দিকে তাকিয়ে থাকবে] যে সকল ক্ষমতা আল্লাহর এবং আল্লাহ কঠিন শাস্তি দেন। [বাকারাহ ২ঃ১৬৫]

Print Friendly

Published by

ওমর আল জাবির

কু'রআনকে গভীরভাবে ভালবাসি। সত্যকে জেনে, তা নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করে অন্যদেরকে অনুপ্রেরণা দেবার চেষ্টা করি।

17 thoughts on “একটু খারাপ কাজ করলে কি হয়? আমি তো কারও ক্ষতি করছি না”

  1. Assalamualaikum,
    lekhata pore jotota na valo laglo….tar cheye beshi valo legeche apnar lekhate comment dear criteria gulo…..Jazakallahu khair apnar prochestar jonno…..apnader moto shikkhito somaj egiye ashlei In shaa Allah prokrito Islam punoruddhar hobe….

  2. আপনি কুরআনের যে আয়াতগুলো দিচ্ছেন তার অনুবাদ অনেক প্রান্জল, কোথায় পাওয়া যাবে এই অনুবাদ?

    1. আমি কয়েকটি অনুবাদ থেকে সংগ্রহ করছি। যে অনুবাদের যেই লাইনটি পড়তে বেশি প্রাঞ্জল মনে হয়, যেটা মুল আরবির সবচেয়ে কাছাকাছি যায়, সেটা নিয়ে একসাথে জোড়া লাগাচ্ছি।

  3. ভালোই লাগল, পড়লে উপকরে আসবে, মন যে মানুষের ধর্মশালা, হয়তো পরিবর্তনও হতে পারে।

  4. জাযাক আল্লাহ খাইর, লেখাটা খুবই বাস্তব সম্মত। ইনশাআল্লাহ চেষ্টা করব নিজে মানার এবং অন্যকে বলার।

  5. ওমর আল জাবির আপনি শিরক বিষয়ক আর্টিকেলে যে আলোচনা করলেন তা কোরআন হাদিস সম্মত নয় । আপনি ভাল ভাবে অবগত আছেন যে, আপনি আল্লাহ মনোনীত নবীগণ ও আউলিয়ায়েকেরামকে কোন বিষয়ে অভিযোগ করতে যাবেন তখন আপনাকে প্রচুর পরিমাণে রেফারেন্স দিতে হবে। আপনি নিজে রেফারেন্স চান অথছ আপনি বেশী রেফারেন্স দিলেন না । এই বিষয়গুলোতে ‍যদি আপনার সামান্যতম ভূল হয়ে যায় আপনার ঈমানের কি অবস্থা হবে আপনি ভালভাবে জানেন । আপনি বললেন আমাদের জন্য নবী রাসুল, আউলিয়ায়েকেরামের কোন তদবিরের প্রয়োজন নেই। রাসূল (সা 🙂 বলছেন আমার শাফায়াত হবে আমার উম্মতের কবিরা গুনাহকারীদের জন্য সহিহ রেওয়াত আছে। মহান আল্লাহপাক কোরআনুল কারীমে ইরশাদ করেছেন : আমি প্রত্যেককে তার ইমাম সহকারে ডাকব (আল কোরআন) এই আয়াতের ব্যাখায় তাফসিরে ইবনে আব্বাসে আছে যে, যুগের মধ্যে যে যাকে অনুসরন করবে সে তার ইমাম হবে। সে যুগের লোককে সৎ পথে আহবান করুক অথবা মন্দের পথে ডাকুক সেই অনুসরন কারীদের ইমাম । সহিহ বুখারী এবং সিহাহ সিত্তার কিতাব সমুহে সহিহ রেওয়াত দ্ধারা প্রমানিত আছে কিয়ামতের ময়দানে আম্বিয়ায়েকেরাম , শহীদ গণ , সিদ্দিকগণ , আল্লাহর মুমিন বান্দা গণ আল্লাহ অনুমতিক্রমে শাফায়াত করবেন । আপনি সেটা অস্বিকার করলেন ।আপনি চাইলে আমি সেই হাদিস গুলো আপনার উদ্দেশ্য পাটাব। আপনি যা তা একটা আর্টিকেল লিখে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন । আপনি শিরকে বিষয়ে যা সটিক তথ্য সবার কাছে তুলে ধরুন , লিখুন আমরা ও আহবান করছি কিন্তু তার মানে এই নয় যে, অযতা অতিরিক্ত কথা বলে নিজে এবং সাধারণ মুসলমানকে বিভ্রান্ত করবেন আপনাদের মুল সমস্যা হচ্ছে আপনারা আপনাদের স্কলারদের লিখিত কিতাব ছাড়া অন্য স্কলারদের কিতাব অধ্যায়ন করেন না । আশা করছি আপনি নবী ‍, ওলির ব্যাপারে যে লিখা উত্থাপন করবেন রেফারেন্স প্রদান করবেন । আপনি একটা কিতাব দেখতে পারেন ডক্টর মুহাম্মদ তাহেরুল কাদেরী লিখিত গ্রন্ত্র শাফায়াতে ছৈয়দুল মুরছালিন যাতে শাফায়াতে ব্যাপারে চল্লিশটি হাদিস আছে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়ত দান করূন ( আমিন)

    1. এই আর্টিকেলের সাথে আপনার এই মন্তব্যটা অপ্রাসঙ্গিক। আপনি বোধহয় অন্য কোনো আর্টিকেলের কারণে এই মন্তব্য করেছিলেন। যাই হোক, শাফাআতের ব্যাপারে আমি অন্য আর্টিকেলগুলোতে যা কিছু লিখেছি, সেগুলো আহলে সুনাহ ওয়া আল জামাহ এর অবস্থান। সেটা সূফীদের অবস্থান নয় এবং আমি এখনও সূফীবাদকে সঠিক মনে করি না। হতে পারে পরে কোনোদিন আমার অবস্থান পরিবর্তন হতে পারে, তবে এখন নয়।
      আপনাকে অনুরোধ করব এই আর্টিকেলটি পড়ার, যেখানে শাফাআত সম্পর্কে ভুল ধারণা পরিষ্কার করার চেষ্টা করা হয়েছে—
      http://quranerkotha.com/baqarah-47-48/

      বিস্তারিত জানতে এই ফাতয়াটি দেখুন, আপনার যত রেফারেন্স দরকার সব পেয়ে যাবেন—
      http://islamqa.info/en/21672

      আমি আপনাকে অনুরোধ করব ইসলামিক স্টাডিজে ব্যাচেলেরস বা অন্তত একটি ডিপ্লোমা করার। যেমন আপনি ইসলামিক অনলাইন ইউনিভারসিটি থেকে বিনামূল্যে ডিপ্লোমা করতে পারেন। আপনি শাফাআত সম্পর্কে যে ভুল ধারণাটি প্রচার করছেন, তা বিস্তারিত ভাবে একদম প্রথম কোর্সেই আলোচনা করা হয়েছে। তাওয়াসসুল এর যে সব ভ্রান্ত ধারণা আছে আহলে সুন্নাহ ওয়া আল জামাহ-এর শিক্ষা অনুসারে, তা আপনি প্রথম কোর্সেই পাবেন। এছাড়া আক্বিদার উপর আরও দুটো কোর্স রয়েছে, যেখানে আরও শক্ত ভাবে ব্যাপারটা পরিষ্কার করা হয়েছে। ইন শাআ আল্লাহ, আপনি উম্মুক্ত মন নিয়ে সেই কোর্সগুলো করে পরীক্ষা দিয়ে পাশ করলে আপনার শাফাআতের ধারণা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

      আপনাকে আমি আগেও অনুরোধ করেছিলাম, আবারও করলাম, আমি এই ব্যাপারে আর মন্তব্য করব না কারণ আমাদের মধ্যে যথেষ্ট আদান-প্রদান হয়েছে। এখন আমাদের দুই পক্ষেরই সময় নিয়ে বসে পড়াশুনা এবং চিন্তা করা উচিত। আমি করছি। আপনাকে অনুরোধ করব করার। সবর এবং হায়া বজায় রাখার বিনীত অনুরোধ করছি।

      সালামুন।

      1. আপনি আপনার সুবিধা মত কয়েকজন নাম দারী মুহাদ্দিসের আক্বিদা প্রচারের ক্ষেত্রে যাতে বাধা প্রাপ্ত না হন এজন্য আমাকে থামানোর চেষ্টা করছেন । আপনি চালেন্জ করতে পারেন । আমার কাছে দলিল খাকলে পেশ করার জন্য বলতে পারেন । আপনি এভাবে হায়ার কথা বলে আলোচনা থামাতে পারেন না। এটা আমাদের দর্শকদের প্রতি আবেদন রইল । আলোচনা দলিলাদি সাপেক্ষে চলবে না কি বন্দ করা উছিত । দর্শক যদি মনে করে বন্দ করা উছিত তা হলে আমি আর কোন কমেন্ট করব না ।

        1. ভাই, আমরা তো এখানে কুস্তি লড়তে আসিনি যে আমাদেরকে দর্শকদের (পাঠকদের) বাহবা নিয়ে ধাক্কাধাক্কি চালিয়ে যেতে হবে?

          আপনি আমার ব্লগে এসে, আমার আর্টিকেল নিয়ে, আমার সাথে তর্ক করছেন। আপনার সাথে আমি তর্ক করব কিনা, আপনাকে এখানে কিছু লিখতে দিব কিনা, সেটা নিতান্তই আমার ব্যাপার। তাই ভাই, আবারও অনুরোধ করছি, অনুগ্রহ করে থামুন। আসুন আমরা চিন্তা ভাবনা করি। বেশি কথা বলে লাভ হয় না। সময় নিয়ে চিন্তা করলে অনেক বেশি লাভ হয়। মুমিনরা কথা কম বলে, চিন্তা বেশি করে।

          আপনার রেফারেন্সগুলো আমি পড়ে দেখব। আপনি সততার সাথে আমার দেওয়া রেফারেন্সগুলো পড়ে দেখুন, সম্ভব হলে ইসলামিক অনলাইন ইউনিভারসিটি-তে প্রথম কোর্সটা অন্তত করুন এবং পরীক্ষা দিন। বাকি সব আল্লাহর ইচ্ছা।

          1. আপনি যে অপপ্রচার চালাইতেছেন এটা কুস্তির চাইতে অনেক বেশী খারাফ কাজ । কারণ আপনি আমাদের ঈমান আক্বিদা নিয়ে খেলছেন । আমরা সুন্নি মুসলমানগণ চুপ করে বসে খাকব আপনি এটা কি করে ভাবলেন । আপনারা রেফারেন্সগুলো আমি দেখেছি এগুলো অপব্যাখ্যা ছাড়া আর কিছু নয়। মুমিন তথক্ষন চুপ করে থাকে যখক্ষন কুলাঙ্গর গণ সীমা অতিক্রম না করে । আপনারা সীমা অতিক্রম করেছেন । কোরআন হাদিসকে নিজেদের ইচ্ছেমত করে ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। রাসূল (সা:) প্রেমই ঈমানদারের মূলধন । আর সেটার আক্বিদার উপরে আঘাত করলে যে প্রতিবাদ করবেনা তার ইমানদার দাবি করার কোন অধিকার নেই।

          2. ভাই, আমাদের মধ্যে এই ব্যাপারে যথেষ্টই আলোচনা হয়েছে এবং আমরা ইতিপূর্বে উপসংহারে পৌঁছেছি। আপনি সূফী আক্বিদায় বিশ্বাস করেন, আমি সালাফি আক্বিদায় বিশ্বাস করি। আপনি আমার সাথে, বা সালাফিদের শিক্ষার সাথে একমত হবেন না, আমি আপনার সাথে, সূফী শিক্ষার সাথে একমত হবো না। ভালো কথা। আমরা যে যেই আক্বিদাকে সঠিক মনে করি, সেই আক্বিদা অনুসরণ করব। এই দুই আক্বিদার পেছনে অনেক বড় বড় আলেম রয়েছেন। আমাদের যদি আক্বিদা নিয়ে কোনো প্রশ্ন, সমস্যা থাকে, তাহলে আমরা সেই আলেমদের সাথে আলোচনা করব। আমার সূফী আক্বিদা নিয়ে সমস্যাগুলো আমি আপনার দেওয়া রেফারেন্স থেকে দেখব, সূফী আলেমদের সাথে আলোচনা করব। আপনি সালাফি আক্বিদা নিয়ে সমস্যাগুলো আমার দেওয়া রেফারেন্স থেকে দেখবেন, সালাফি আলেমদের সাথে আলোচনা করবেন। আমাদের নিজেদের মধ্যে কামড়াকামড়ি, মুখ খারাপ করে গালাগালি করা তো কোনো মু’মিনের লক্ষণ হলো না। যেই মুহূর্তে আপনি কোনো মুখ খারাপ করে কিছু বললেন, আপনি ঈমান হারিয়ে ফেললেন। যেই মুহূর্তে আপনি কাউকে কাফির, ফাসিক বললেন, যদি আল্লাহর দৃষ্টিতে সেটা বৈধ না হয়, সেই মুহূর্তে আপনি নিজে কাফির, ফাসিক হয়ে গেলেন। আশাকরি এই ব্যাপারে সাহিহ হাদিসগুলো জানেন। তাই আসুন, আমরা যথাযথ ইসলামের শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষের মতো সঠিক পদ্ধতিতে ইসলাম নিয়ে পড়াশুনা করি। আক্বিদা নিয়ে সমস্যা থাকলে যথাযথ আলেমদের সাথে আলোচনা করি। আপনার যদি দেশের ট্রাফিক আইন নিয়ে সমস্যা থাকে, আপনি নিশ্চয়ই রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশকে ধরে মারবেন না, তাই না? তাহলে সেটা একজন কুলাঙ্গারের মতো আচরণ হবে। ট্রাফিক পুলিশ শুধু তার সরকারের আইন বাস্তবায়ন করছে। আপনি গিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলবেন। সেটাই একজন প্রকৃত শিক্ষিত মানুষের আচরণ হবে।

      2. আপনি এবং ভিন্নমত পোষনকারী কযেকজন নামদারী মুহাদ্দিসের মত আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাত হতে পারেনা। যদি কয়েক জন আলেম আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত হয়ে যায় তাহলে শত শত শীর্ষ পযার্য়ের মুহাদ্দিসের মতকে আপনি কোন মত হিসাবে বর্ণনা করবেন যাদের সাথে আপনাদের ইমামের তাওয়াসুল ও শাফায়াত সহ আরো অনেক আক্বিদা বিষয়ক ধ্যান-ধারণা পুরো অমিল । যেমন: আব্দূল হক মুহাদ্দিস দেহলভী , আব্দুল আজিজ মুহাদ্দিস দেহলভী , জালাল উদ্দীন সুয়্যৃতী , মোল্লা আলী ক্বারী , ইমাম কুরতুবী , ইমাম খাজেন , ইমাম কাজী সানাউল্লাহ পানিপতী , ইমাম ইবনে আসাকির , ইবনে হাজর আসকালানী , ইমাম ঈসমাইল হক্কী , ইবনে কাসির , ইমাম বদরউদ্দীন আইনী , ইমাম কুসতুলানী , ইমাম যুরকানী ,খতীবে বাগদাদী , জালাল উদ্দীন মহল্লী, আরো প্রচুর ইমাম নাম উল্লেখ্য করা যাবে । সুফিবাদ সম্পর্কে ও আপনাকে পোস্ট দেওয়া হবে।

        1. আপনার আগ্রহের জন্য ধন্যবাদ। তবে আমি সূফীবাদ নিয়ে অনেক পড়েছি, এমনকি সূফী শাইখের অধীনে কোর্সও করেছি। একই সাথে আমি সালাফিদের সাথেও কোর্স করেছি। আমার কাছে সালাফি শিক্ষা সূফীবাদ থেকে অধিক সঠিক মনে হয়েছে। এটা আমি আপনাকে কমেন্টের স্বল্প পরিসরে বোঝাতে পারব না। এর জন্য আপনাকে আমার মতো উভয় পক্ষের কোর্স করতে হবে, মাস খানেক পড়াশুনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনি সূফী না সালাফি শিক্ষা অনুসরণ করবেন।
          আমি এখন পর্যন্ত সূফীবাদকে ভ্রান্ত মনে করি। যদি আমার অবস্থান পরিবর্তন হয়, আপনাকে জানাব, ইন শাআ আল্লাহ। আপনি সূফীবাদ সমর্থন করেন, খুব ভালো কথা। আপনি আমার মুসলিম ভাই, আপনার সাথে দেখা হলে আপনাকে জড়িয়ে ধরে আমার বাসায় আমন্ত্রণ দিয়ে খাওয়াতে আমার একটুও বাঁধবে না। আমরা সবাই ভাই ভাই। আমাদের শত্রুরা হচ্ছে কাফিররা এবং আমাদের মূল্যবান সময় তাদের পেছনে ব্যয় করা উচিত। নিজেদের মধ্যে কামড়াকামড়ি করে তাদের কাজ সহজ করে দেওয়ার কোনো কারণ দেখি না।
          আপনি যদি আমাকে সময় দেন, তাহলে আমি এই তর্কের থেকে অনেক ভালো কাজে সময় ব্যয় করতে পারি। অনুগ্রহ করে আপনিও তা করুন।

          1. ভাই, আমি ধন্যবাদের সহিত আপনার দাওয়াত গ্রহণ করলাম । আপনার প্রতি ও আমার দাওয়াত রইল। কিন্তু ভাই বর্তমান কিছু নামধারী সুফীদের কারণেই মুলত সুফিবাদের এত দূর্নাম । আপনি দেখেন ভারত উপমহাদেশের মধ্যে শুরুতেই যেখানে ইসলামের অনুপ্রবেশ ঘটেছে সেখানে সূফিদের অবদান রয়েছে। তাদের মধ্যে যার নাম প্রথম অবস্থানে তিনি হচ্ছেন হযরত মাঈনু উদ্দীন চিশতি (র:) যার মাধ্যমে ভারত বর্ষের মধ্যে ইসলামের এত প্রচার প্রসার ঘটেছে যা কোন অবস্থায় অস্বীকারের উপায় নেই। বাদশার আকবর ভ্রান্ত একটি ধর্মের উদ্ভব ঘটিয়েছিল যাকে ভারতবর্ষ থেকে চিরতরে নিশ্ছিন্ন করতে যে অবদান রেখেছিলেন তিনি হচ্ছেন শায়ক আহমদ ছেরহিন্দ ফারুকী (মুজাদ্দেদে আলফেসানী) (র:) বাংলার জমিনে ইসলাম প্রচারের ক্ষেত্রে যারা অবদান রেখেছিলেন তাদের মধ্যে রয়েছেন হযরত শাহ জালাল ,শাহ পরান, বখতিয়ার মাহি সওয়ার , চট্টগ্রামে যারা বার আউলিয়া নামে প্রসিদ্ধ তাদের অবদান অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। ইতিহাস সাক্ষী আছেন । আপনি তাদের পথকে ভ্রান্ত বলছেন । যারা ইসলামের বীজ বপন করল তারা আপনাদের কাছে দোষী হয়ে গেল। তাদের অন্তর কত খুলুসিয়তে, সুন্নতের পাবন্দীতে ,রাসুল প্রেমে পরিপূর্ণতা ছিল তা বলার অপেক্ষা রাখেনা । কত দুর দুরান্ত থেকে পরিবার পরিজনকে ছেড়ে ইসলামের পয়গাম নিয়েে আজ ভারতীয় উপমহাদেশে শুয়ে আছে। এটা আমাদের গভীর ভাবে চিন্তার বিষয় আছে বলে আমি মনে করি।
            আল্লাহ আমাদের বুঝার তাউফিক দান করুন । আমিন

  6. আমি সুরা বাকারার (৪৭-৪৮) নং আয়াত ‍দুটি দেখেছি আপনি সেই দুই আয়াতে যেভাবে বলা আছে সেভাবে অর্থের ব্যাখ্যা নেন তাহলে সেটা নিশ্চিত রুপে সহিহ হাদিসের সাথে সাংঘর্ষিক হবে । আর সহিহ হাদিস এবং কোরআনের আয়াতের মধ্যে কোন অবস্তায় সাংঘর্ষিক হবেনা কারণ কোরআন ও সহিহ হাদিস ইসলামের জলন্ত দলিল। আপনাকে এমন ব্যাখ্যা নিতে হবে যাতে কুরআনুল কারিমের আয়াত এবং সহিহ রেওয়াতগুলোর সাথে সমন্বয় হয় কোন অবস্থায় যেন বৈপরিত্য অর্থ সাধিত না হয় । আপনি যে রেফারেন্স দিয়েছেন যে, ( আল্লাহ ﷻ সোজা বলে দিয়েছেন, “সেদিন কারও সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না।” شفاعة (শাফাআত) অর্থাৎ সুপারিশ-এর দুটি পদ্ধতিই এখানে বাতিল করে দেওয়া হয়েছে) অথছ আরেকটি কোরআনের আয়াতের মধ্যে আল্লাহ বলেছেন (আমি অচিরেই আপনাকে মকামে মাহমুদে অধিষ্টিত করব) আর মকামে মাহমুদের অর্থ বিভিন্ন তাফসির কারক হাদিস দ্ধারা প্রমাণ করেছেন মকামে মাহমুদ হচ্ছে শাফায়াতের স্থান যেখান থেকে বসে শাফায়াত করা হবে। সুরা বাকারার আয়াত দুটি দ্ধারা রাসুল (সা:) শাফায়াতের অনুমোদন পেয়েছেন সেটা প্রমানিত হয় না অথচ রাসুল (সা:) কিয়ামতের ময়দানে শাফায়াত করবেন এটা শত শত মুহাদ্দিস সহিহ হাদিস দ্ধারা প্রমান করেছেন তার মধ্যে (ভারতীয় উপমহাদেশের প্রখ্যাত তথা মুহাদ্দিসকুল সম্রাট শায়ক আবদুল হক মুহাদ্দিস দেহলভী (র:) এর উল্লেখযোগ্য আক্বিদাবিষয়ক গ্রন্ত্র (তাকলীমুল ঈমান ) দেখার অনুরোধ রইল যাতে রাসুল (সা:) এর শাফায়তের মর্যাদা কত বিস্তৃত হবে তার বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে। আপনি এবং আপনাদের বাতিলপন্থি নামদারী মুহাদ্দিসগণ কোরআনের অপব্যাখ্যা কারী নামদারী মুফাস্সিরগণ কোরআন এবং সহিহ হাদিসের সাথে সাংঘর্ষিক সৃস্টি করছেন। আপনার আর্টিকেলে মওদুদী ও সায়্যিত কুতুবের তাফসিরের রেফারেন্স দিয়েছেন যে গুলো বিতর্কিত তাফসির আর যাদের লেকচারের কথা বললেন তাদের মধ্যে কেউ ইসলামি দুনিয়ায় সর্বজন স্বীকৃত প্রাপ্ত ব্যাক্তি নন। আপনি যদি রেফারেন্স দেন তাহলে : উল্লেখয়োগ্য তাফসির কারকদের তাফসির গ্রন্ত্র থেকে দিবেন । যারা ইসলামি দুনিয়ায় নিজ নিজ গ্রন্ত্রের রচনা দ্ধারা সর্বজন স্বীকৃত প্রাপ্ত হয়েছেন ।
    আপনি শাফায়াতের বিষয়ে যদি বিস্তারিত জানতে চান তাহলে

    1. ভাই, আমাদের মধ্যে এই ব্যাপারে যথেষ্টই আলোচনা হয়েছে এবং আমরা ইতিপূর্বে উপসংহারে পৌঁছেছি। আপনি সূফী আক্বিদায় বিশ্বাস করেন, আমি সালাফি আক্বিদায় বিশ্বাস করি। আপনি আমার সাথে, বা সালাফিদের শিক্ষার সাথে একমত হবেন না, আমি আপনার সাথে, সূফী শিক্ষার সাথে একমত হবো না। ভালো কথা। আমরা যে যেই আক্বিদাকে সঠিক মনে করি, সেই আক্বিদা অনুসরণ করব। এই দুই আক্বিদার পেছনে অনেক বড় বড় আলেম রয়েছেন। আমাদের যদি আক্বিদা নিয়ে কোনো প্রশ্ন, সমস্যা থাকে, তাহলে আমরা সেই আলেমদের সাথে আলোচনা করব। আমার সূফী আক্বিদা নিয়ে সমস্যাগুলো আমি আপনার দেওয়া রেফারেন্স থেকে দেখব, সূফী আলেমদের সাথে আলোচনা করব। আপনি সালাফি আক্বিদা নিয়ে সমস্যাগুলো আমার দেওয়া রেফারেন্স থেকে দেখবেন, সালাফি আলেমদের সাথে আলোচনা করবেন। আমাদের নিজেদের মধ্যে কামড়াকামড়ি, মুখ খারাপ করে গালাগালি করা তো কোনো মু’মিনের লক্ষণ হলো না। যেই মুহূর্তে আপনি কোনো মুখ খারাপ করে কিছু বললেন, আপনি ঈমান হারিয়ে ফেললেন। যেই মুহূর্তে আপনি কাউকে কাফির, ফাসিক বললেন, যদি আল্লাহর দৃষ্টিতে সেটা বৈধ না হয়, সেই মুহূর্তে আপনি নিজে কাফির, ফাসিক হয়ে গেলেন। আশাকরি এই ব্যাপারে সাহিহ হাদিসগুলো জানেন। তাই আসুন, আমরা যথাযথ ইসলামের শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষের মতো সঠিক পদ্ধতিতে ইসলাম নিয়ে পড়াশুনা করি। আক্বিদা নিয়ে সমস্যা থাকলে যথাযথ আলেমদের সাথে আলোচনা করি। আপনার যদি দেশের ট্রাফিক আইন নিয়ে সমস্যা থাকে, আপনি নিশ্চয়ই রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশকে ধরে মারবেন না, তাই না? ট্রাফিক পুলিশ শুধু তার সরকারের আইন বাস্তবায়ন করছে। আপনি গিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলবেন। সেটাই একজন প্রকৃত শিক্ষিত মানুষের আচরণ হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *