ধর্ম = ভয়?

আমরা অনেকে মনে করি ধর্ম মানেই হচ্ছে সবসময় আল্লাহ্‌র ﷻ ভয়ে ভয়ে থাকা, দোযখের ভয়াবহ শাস্তির কথা সবসময় মনে রেখে মুখ গোমড়া করে ভালো কাজ করে চলা। কোনো কারণে আমাদের অনেকের ভিতরে “ধর্ম মানেই ভয়”, এই ধারণাটি ঢুকে গেছে। আমাদের অনেকে তাদের ছেলে মেয়েদেরকে ছোট বেলা থেকেই ‘আল্লাহ’ নামের এক ভয়ংকর কোনো কিছুর ভয় দেখিয়ে বড় করি। বাচ্চারা আমাদের কথা না শুনলে, দুষ্টামি করলে, আল্লাহ্‌র ﷻ কথা বলে ভয় দেখাই। কোনো খারাপ কাজ করলে, আল্লাহর ﷻ শাস্তির ভয় দেখাই। একারণে তারা ছোটবেলা থেকে বড় হয় আল্লাহ্‌র ﷻ সম্পর্কে একটা নেগেটিভ ধারণা নিয়ে। তারা মনে করে আল্লাহ্‌ ﷻ মানেই হচ্ছে হেডমাস্টারদের মতো বদরাগী, কথায় কথায় শাস্তি দেয় এমন এক ভয়ংকর সত্ত্বা, যাকে আমাদের সারাজীবন ভয় করে চলতে হবে। একারনে তারা যখন বড় হয়ে ইসলাম মানার চেষ্টা করে, তখন সেই চেষ্টার মধ্যে না থাকে কোনো আন্তরিকতা, না থাকে কোনো ভালবাসা, থাকে শুধুই কিছু আনুষ্ঠানিকতা। Continue reading

Posted in উপলব্ধি | 8 Comments

শেখ্‌ Google হতে সাবধান

আজকাল আমরা ইসলাম সম্পর্কে জানার জন্য ইন্টারনেটের উপর অনেকখানি নির্ভর করি। যখনি ইসলামের কোনো নিয়মকানুন, কোনো অনুষ্ঠান, কোনো বিতর্কিত ব্যাপার সম্পর্কে মনে প্রশ্ন জাগে, হয় আমরা ইন্টারনেটে সার্চ করি, না হয় ফেইসবুকে বন্ধু-বান্ধবকে জিজ্ঞাসা করি। শেখ্‌ Google যেহেতু আমাদেরকে বিজ্ঞান, গণিত, দর্শন ইত্যাদির উপর যাবতীয় প্রশ্নের সঠিক সমাধান দেয়, আমরা ধরে নেই ইসলাম সম্পর্কেও সে নিশ্চয়ই সঠিক সমাধান দেয়। আর ফেইসবুকে যেই ফ্রেন্ডের মুখে ঘন দাঁড়ি এবং মাথায় টুপি দেখা যায় এবং অনেক ইসলামিক আর্টিকেল শেয়ার করতে দেখা যায়, আমরা ধরে নেই ইসলামের ব্যাপারে তার মতামত নিশ্চয়ই সঠিক। আমাদের এই ধারণাগুলো কি ঠিক? Continue reading

Posted in আজকাল | 89 Comments

লোকে কি বলবে

16c46_peer_pressure_postআমরা যখন কালেমা পড়ে ঘোষণা দেই – লা ইলাহা ইল্লা আল্লাহ – তখন আমরা শপথ করি, “আমার জীবনে আল্লাহ্‌র থেকে বড় আর কেউ নেই। আজ থেকে আমার প্রতিটা সিদ্ধান্ত এবং কাজে আল্লাহ থাকবেন সবার আগে, তারপরে অন্য কিছু। আমি অন্য কোনো কিছুকে আল্লাহ্‌র থেকে বেশি গুরুত্ব দিবো না।” কিন্তু তারপর যা ঘটে তা হচ্ছে অনেকটা এরকমঃ

  • মেহমান এসেছে, তুমুল আড্ডা চলছে দেশের গণ জাগরণ নিয়ে, ওদিকে মাগরিবের সময় পার হয়ে যাচ্ছে, “আহ্‌ হা, মাগরিবের সময় দেখি শেষ হয়ে গেল। কিন্তু এখন উঠে গেলে ওরা আবার কি মনে করে। তারচেয়ে রাতে একবারে ঈশার সাথে পড়ে নিবো। আল্লাহ্‌ মাফ করুন।”
  • বিয়ের দাওয়াতে যাওয়ার আগে রঙবেরঙের সাজে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে, “মাথায় ঘোমটা দিলে কেমন খ্যাঁত মনে হচ্ছে। থাক, ঘোমটা ছাড়াই যাই, আত্মীয় স্বজনরা আবার কি সব বলাবলি করে। বান্ধবীরা দেখলে হাসা-হাসি করবে। ফুল হাতা ব্লাউজটাও একদম মানাচ্ছে না। দেখি হাফ হাতা পড়ি, স্মার্ট লাগবে। মাত্র এক রাতের ব্যাপার, কিছু হবে না, আল্লাহ্‌ মাফ করবেন।”
  • আমীর খানের ছবি লাগানো আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে একটা লম্বা ফুল-হাতা শার্ট আর একটা স্লিম-ফিট টি-শার্ট হাতে নিয়ে, “এই লম্বা জামাটা আজকাল আর চলে না, লোকজন খ্যাঁত বলে। তারচেয়ে এই টি-শার্টটাতে আমাকে অনেক স্মার্ট দেখায়। কিন্তু এটা পড়ে সিজদা দিলে তো আবার পিছনটা বের হয়ে যায়। যাক্‌গে কিছু হবে না।
  • বন্ধুর নতুন গাড়ির পাশে নিজের পুরনো গাড়িটার দিকে তাকিয়ে, “নাহ্‌, এই ভাঙ্গা গাড়িটা ফেলে ব্যাংক থেকে গাড়ির লোণ নিয়ে এবার একটা নতুন গাড়ি কিনতেই হবে। এই গাড়ি নিয়ে বের হলে মানুষকে মুখ দেখাতে পারি না। প্রতিবেশীরা কেমন করে তাকায়, নিজেকে গরিব-গরিব মনে হয়। একটু সুদ দিলে কিছু হবে না। আল্লাহ্‌ নিশ্চয়ই আমার কষ্টের কথা বুঝবে।”
  • মাসের ভাড়া দিয়ে বাড়িওলার বাসা থেকে মুখ কালো করে ফেরত আসার পথে, “আর না, অনেক অপমান সহ্য করেছি, বন্ধু বান্ধবকে মুখ দেখাতে পারি না। মানুষকে বলতে হয় – ‘আমি ভাঁড়াটিয়া।’ এইবার ডিবিএইচের লোণটা নিয়ে একটা বাড়ি কিনবোই। পরে একসময় হজ্জ্ব করে আল্লাহ্‌র কাছে মাফ চেয়ে নিবো।”
  • রাস্তায় সার্জেন্টকে পাঁচশ টাকার একটা নোট ধরিয়ে দিতে দিতে, “ছিছি, ঘুষ দেওয়াটা ঠিক হচ্ছে না। কিন্তু না দিলে তো আবার গাড়ি নিয়ে যাবে। কি লজ্জার ব্যপার হবে যদি প্রতিবেশীরা জেনে ফেলে গাড়িটা দুই নম্বরি করে কেনা। থাক না, মাত্র পাঁচশ টাকা, আল্লাহ্‌ মাফ করেন।” Continue reading
Posted in উপলব্ধি | 6 Comments

শির্‌ক করলে কি হয়? আমি তো কারো ক্ষতি করছি না

laptop-worshipঅনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, শির্‌ক কেন ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ? কেন আল্লাহ সব গুনাহ ক্ষমা করেন কিন্তু শির্‌ক ক্ষমা করেন না? শির্‌ক করে তো আমরা আল্লাহর কোনো ক্ষতি করছি না। শির্‌ক করে তো আমরা মানুষের কোনো ক্ষতি করছি না। আমি যদি একটা তাবিজ পড়ে ভাবি এই তাবিজের কারণে আমার পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট হবে, তাতে এমন কি দোষ হল? আমি যদি পীরের মুরিদ হয়ে ভাবি পীর বাবা আমার হয়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করে আমার জীবনের সমস্যা দূর করে দিবে, কিয়ামতের দিন আমার জন্য আল্লাহর কাছে তদবির করবে, তাতে এমন কি মহাপাপ হল? কেন সুদ, ঘুষ, খুনের মতো বিরাট সব পাপ ক্ষমা করা যাবে কি না, তা আল্লাহ্‌ বিবেচনা করবেন, কিন্তু শির্‌ক কখনও ক্ষমা করবেন না? Continue reading

Posted in Uncategorized, উপলব্ধি | 37 Comments

নামায পড়ে তো আমার কোনো লাভ হচ্ছে না

Why does not I benefit from prayerআমরা যখন নামাযে দাঁড়াই, তখন আমাদের মনের ভেতরে যে চিন্তাগুলো চলতে থাকে সেটাকে যদি কথায় প্রকাশ করা যায়, তাহলে তা দেখতে হবে অনেকটা এরকমঃ

আলহামদু লিল্লাহি … দেশের কি অবস্থা, চারিদিকে মারামারি, খুনাখুনি … মালিকি ইয়াওমিদ্দিন … আহ্‌ হা, গতকালকে পরীক্ষায় তিন নম্বর প্রশ্নের উত্তর তো ভুল লিখে এসেছি … ইয়াকা নাবুদু ওয়া ইয়াকা … মোরা একটি দেশকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি  ♫… কুল হু আল্লাহু আহাদ … আজকে মুরগি আর সবজি করবো, আর কিছু করতে ইচ্ছা করছে না … আল্লাহু আকবর … এটা কি দুই নম্বর রাকাত না তিন নম্বর? … সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ … ওহ্‌ হো, নামাযে নিয়ত করতে তো ভুলে গেছি, যাকগে কিছু হবে না … আল্লাহু আকবর  … Continue reading

Posted in উপলব্ধি | 53 Comments

তাঁর মতো আর কেউ নেই

allahআমরা অনেক সময় চিন্তা করে দেখি না আমাদের ধর্মে যে সৃষ্টিকর্তার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে সেটা কত সহজ এবং যুক্তিযুক্ত। আপনি যদি আজকে একজন খ্রিস্টান হতেন তাহলে আপনাকে কি বিশ্বাস করতে হতো দেখুনঃ প্রথম মানুষ আদম, খোদার নির্দেশ অমান্য করে এমন এক মহা পাপ করেছিলেন যে তার পাপের জন্য তার পরে সমস্ত মানুষ জন্ম নিয়েছে পাপী হয়ে, এমনকি আপনিও জন্ম হয়েছেন এক বিরাট পাপ নিয়ে। হাজার বছর ধরে সেই পাপ জমতে জমতে এতো বিশাল হয়ে গিয়েছিল যে, সেই মহাপাপ থেকে মানব জাতিকে মুক্তি দেওয়ার জন্য স্বয়ং সৃষ্টিকর্তাকে মানুষ রূপে পৃথিবীতে এসে মানুষের হাতেই জীবন বিসর্জন দিতে হয়েছে! এখন যদি প্রশ্ন করেন – “আদম পাপ করেছে বলে আমাকে কেন তার পাপের বোঝা নিতে হবে? আমি কি দোষ করেছি?” অথবা “পাপ তো করা হয়েছিল সৃষ্টিকর্তার বিরুদ্ধে, তাহলে সৃষ্টিকর্তা কি শুধু বলতে পারতেন না, ‘হে মানব জাতি, যাও, আমি তোমাদেরকে মাফ করে দিলাম’, ব্যস! কি দরকার ছিল তাঁর মানুষ হয়ে পৃথিবীতে এসে মানুষের হাতেই মার খাওয়ার?” – আপনি কোনো উত্তর পাবেন না। Continue reading

Posted in কু'রআন | 6 Comments

একটু খারাপ কাজ করলে কি হয়? আমি তো কারও ক্ষতি করছি না

একটু গাঁজা টানলে ক্ষতি কি? আমি তো কারও ক্ষতি করছি না। একটু মদ খেলে ক্ষতি কি? আমি তো মাতাল হয়ে যাচ্ছি না। একবার দুইবার সিগারেট টানলে ক্ষতি কি? আমার তো ক্যানসার হয়ে যাচ্ছে না।আমি একা সুদ না খেলে কি হবে, অন্যেরা তো সুদ খাওয়া ছেড়ে দিচ্ছে না। আমি একা ঘুষ না দিলে কি হবে, অন্যেরা তো ঘুষ দেওয়া বন্ধ করছে না। আমি নিজে হিন্দি সিরিয়াল না দেখলে কি হবে, অন্যেরা তো হিন্দি সিরিয়াল দেখা বন্ধ করছে না।

আমাদের অনেকের মনেই এই ধরণের প্রশ্ন আসে যে, আমি একা ভালো হলে কি হবে, অন্যেরা তো ভালো হচ্ছে না, দেশের তো কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না, সমাজ তো ভালো হয়ে যাচ্ছে না, দেশে তো দুর্নীতি বন্ধ হচ্ছে না? Continue reading

Posted in Uncategorized, উপলব্ধি | 17 Comments

কি দরকার ছিল এতসব খারাপ ঘটনার?

 

syriaআপনার কাছে যেটা খারাপ সেটা অন্যের কাছে খারাপ নাও হতে পারে। যেমন ধরুন আপনার চাকরি চলে গেল। আপনার এখন মাথায় হাত। আপনি বাড়ি ভাড়া দিবেন কী করে? ছেলে মেয়ের পড়ার খরচ দিবেন কী করে? আপনার কাছে তখন মনে হবে, আল্লাহ আমার সাথে এরকম কীভাবে করতে পারলো? কিন্তু আমি আপনার চাকরি চলে যাওয়াতে খুব খুশি কারণ আপনার জায়গায় আমাকে নেওয়া হয়েছে। আমি গত পাঁচ বছর ধরে বেকার ছিলাম এবং আল্লাহ আমাকে কত দয়া করে চাকরিটা দিয়েছেন! আমি এখন আমার পরিবারকে একটা সচ্ছল জীবন দিতে পারবো। আমার অসুস্থ বাবা-মার চিকিৎসা করাতে পারবো। আমার এক রুমের ঘিঞ্জি ভাড়া বাড়ি ছেড়ে মোটামুটি একটা দুই রুমের বাসা নিয়ে পরিবারের সাথে একটু আরামে হলেও থাকতে পারবো। আপনি আল্লাহ্‌র প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে নামায পড়া ছেড়ে দিলেন, আর এদিকে আমি আল্লাহ্‌র প্রতি কৃতজ্ঞ হয়ে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়া শুরু করলাম।

আল্লাহ্‌ আপনাকে একটা ছোট পরীক্ষা দিয়েছিলেন। আপনি সেটায় ফেল করলেন। Continue reading

Posted in Uncategorized, উপলব্ধি | 7 Comments

আমার সবচেয়ে বড় শত্রু

পৃথিবীতে একজন অত্যন্ত জ্ঞানী এবং অভিজ্ঞ সত্ত্বা আছে, যে আমাদের সাইকোলজি নিয়ে খেলা করে আমাদেরকে প্রতিদিন না বুঝে অন্যায় কাজে ডুবিয়ে রাখে, নিজেদের সাথে প্রতারণা করায় এবং আমাদের পরিবারে মধ্যে আগুন জালিয়ে দেয়। আমাদের জলদি উপলব্ধি করা দরকার সে কে। কারণ যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা আমাদের প্রতি মুহূর্তের সঙ্গী, আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু শয়তান সম্পর্কে অজ্ঞ থাকবো; সে কিভাবে কাজ করে, কিভাবে সে মানুষকে ধোঁকা দেয়, কিভাবে আমাদের চিন্তাকে প্রভাবিত করে – এগুলো না বুঝবো; ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা না জেনে, না বুঝে প্রতিনিয়ত তারই পরিকল্পনাগুলো সফল করতে বিনা পারিশ্রমিকে তার হয়ে কাজ করতে থাকবো। Continue reading

Posted in Uncategorized, উপলব্ধি | 18 Comments

নামায, রোযা করে কি হবে? আমি তো এমনিতেই ভালো মানুষ

আপনি একজন ভালো মানুষ - আত্মীয়স্বজনের উপকার করেন, গরিবকে দান-খয়রাত করেন, দেশের নিয়ম-কানুন মেনে চলেন। সামাজিকতা এবং সংস্কৃতির বিরুদ্ধে যায় এমন কিছু করেন না। সুতরাং আপনার নামায না পড়লেও চলবে, রোযা না রাখলেও কোন সমস্যা নেই, কারণ এগুলো নিছক কিছু আনুষ্ঠানিকতা। একজন আদর্শ নাগরিক হয়ে মানুষের ভালো করাটাই আসল কথা। মানব ধর্মই আসল ধর্ম; জীবে দয়া করিছে যে জন, সেজন সেবিছে ঈশ্বর। এই যদি আপনার ধারণা হয়, তাহলে আপনার অবস্থা নিচের তিনটির যে কোন একটি হতে পারেঃ

  • আপনি মনে করেন যে আপনি আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং উন্নত বিচার-বুদ্ধির কারণে কোনটা ভালো, কোনটা খারাপ এটা নিজেই যথেষ্ট বুঝতে পারেন এবং আল্লাহ্‌কে এবং তাঁর মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্যকে আপনি যথেষ্ট গভীর ভাবে উপলব্ধি করতে পারেন, যেটা অন্যেরা পারে না। নামায, রোজা শুধু ওই সব অর্ধ-শিক্ষিত, অল্প-জ্ঞানী মানুষদের জন্য দরকার যারা এখনও আপনার মত চিন্তার গভীরতা এবং উপলব্ধির উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি।
  • আপনি মনে করেন যে আপনার নীতিগত মূল্যবোধ থেকে যা কিছু ভালো মনে হয়, সেটাই ইসলামের চোখে ভালো। মানুষ তার নীতিবোধ থেকে যা কিছু ভালো এবং যা কিছু খারাপ মনে করে, তার বাইরে ইসলামের মূল্যবোধের কোন দরকার নেই। মানুষ নিজে থেকেই কি ভালো, কি মন্দ তা যথেষ্ট বোঝে; আল্লাহর মানুষকে এর বেশি কিছু শেখানোর নেই।
  • আপনি মনে করেন নামায, রোযা না করে আপনার কোন ক্ষতি হচ্ছে না, আপনি এমনিতেই যথেষ্ট ভালো আছেন। যেহেতু আপনার মতে আপনার কোন ক্ষতি হচ্ছে না, সুতরাং আপনার আল্লাহর বাণী শোনার কোন প্রয়োজন নেই। নামায, রোজা না করাটা যদি এতো খারাপ কাজ হতোই, তাহলে এতদিনে আপনার অনেক ক্ষতি হতে থাকতো। কিন্তু সেরকম কিছু তো হতে দেখা যাচ্ছে না। Continue reading
Posted in Uncategorized, উপলব্ধি | 26 Comments