বহুল প্রচলিত কিছু জাল হাদিস

fakehadithbookলোকে মুখে প্রচলিত হাজার হাজার জাল হাদিসকে আজকাল আমরা ধর্মের অংশ বলে মানা শুরু করে দিয়েছি। এই জাল হাদিসগুলো যে ইসলাম সম্পর্কে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই এমন মানুষরাই শুধু প্রচার করে যাচ্ছে তা নয়, এমনকি কিছু মসজিদের অপ্রাপ্ত প্রশিক্ষণ নেওয়া ইমাম, বিভিন্ন ওয়াজ-মাহফিলে আসা কিছু “আলেমকেও” দেখবেন সেই হাদিসগুলোর সত্যতা যাচাই না করে ব্যপক হারে প্রচার করে যাচ্ছেন। এরকম বহুল প্রচলিত কয়েকটি জাল হাদিস এখানে তুলে ধরলাম এবং সঠিক হাদিস চিহ্নিত করার প্রাতিষ্ঠানিক পদ্ধতি ব্যাখ্যা করলাম।

জাল হাদিসঃ নবী ﷺ এর নাম ব্যবহার করে প্রচারিত বানোয়াট হাদিস। এধরনের হাদিসের বর্ণনাকারিদের মধ্যে এক বা একাধিক জন প্রতারক এবং কুখ্যাত হাদিস জালকারি বলে স্বীকৃত। অনেক সময় বর্ণনাকারিদের নামগুলোও মিথ্যা বানানো। এছাড়াও হাদিসটি কোন স্বীকৃত হাদিস গ্রন্থে পাওয়া যায়নি। অনেক সময় এধরনের হাদিস পীর, দরবেশ, আলেমরা নিজেরাই বানিয়ে প্রচার করেছেন কোন বিশেষ স্বার্থে।

মুহাম্মাদ  ﷺ এর নামে প্রচারিত জাল হাদিস যেই হাদিস বিশারদরা জাল প্রমাণ করেছেন
জ্ঞান অর্জনের জন্য সুদূর চীনে যেতে হলেও যাও। ইবন জাওযি, ইবন হিব্বান, নাসিরুদ্দিন আলবানি
জ্ঞানীর কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়ে বেশি পবিত্র। আল-খাতিব আল-বাগদাদি—হিস্টরি অফ বাগদাদ
দেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ। আস-সাগানি, নাসিরুদ্দিন আলবানি
নিজের কুপ্রবৃত্তির বিরুদ্ধে জিহাদ সর্বোত্তম জিহাদ। ইবন তাইমিয়্যাহ, ইবন বাআয।
সবুজ গাছপালা, শস্যর দিকে তাকিয়ে থাকলে দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি পায়। আয-যাহাবি
আল্লাহ সেই বান্দাকে ভালবাসেন যে তাঁর ইবাদতে ক্লান্ত, নিস্তেজ হয়ে পড়ে। আদ-দারকুতনি
সুদ খাওয়ার ৭০ পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা আছে, এর মধ্যে আল্লাহর দৃষ্টিতে সবচেয়ে ছোট অপরাধ হচ্ছে মায়ের সাথে ব্যভিচার   করা। ইবন জাওযি, আল হুয়ায়নি (দুর্বল বা জাল হাদিস)
মুহাম্মাদকে ﷺ সৃষ্টি না করলে আল্লাহ কোন কিছুই সৃষ্টি করতেন না। মুহাম্মাদ ﷺ—এর নূর থেকে সমস্ত সৃষ্টি জগত সৃষ্টি হয়েছে। আয-যাহাবি, ইবন হিব্বান, নাসিরুদ্দিন আলবানি
যে শুক্রবার মুহাম্মাদ ﷺ এর প্রতি ৮০বার দুরুদ পাঠাবে তার ৮০ বছরের গুনাহ মাফ হয়ে যাবে। আল্লামা সাখায়ি, আলবানি
আযানের মধ্যে আঙ্গুল চুম্বন করে চোখে মোছা। আস-সুয়ুতি, আলবানি
এক ঘণ্টা গভীরভাবে চিন্তা করা ৬০ বছর ইবাদতের সমান। ইবন জাওযি
যারা মানুষকে ইসলামের দাওয়াত দেয় এবং মানুষকে ইসলাম গ্রহন করায় তাদের জন্য জান্নাত নিশ্চিত। আস-সাগানি
সুরা ইয়াসিন কু’রআনের হৃদয়। একবার সুরা ইয়াসিন পড়লে দশবার কু’রআন খতম দেওয়ার সমান সওয়াব পাওয়া যায়। ইবন আবি হাতিম, আলবানি
মৃতের জন্য সুরা ইয়াসিন পড়। আদ-দার কুদনি
আরবদেরকে ভালোবাসো, কারণ আমি একজন আরব, কু’রআন আরবিতে নাজিল হয়েছে এবং জান্নাতের ভাষা হবে আরবি। আবি হাতিম—জারহ ওয়া তাদিল
পাগড়ী পরে নামায পড়লে ১৫টি পাগড়ী ছাড়া নামায পড়ার সমান সওয়াব। ইবন হাজার—লিসানুল মিজান
আমি জ্ঞানের শহর এবং আলি তার দরজা ইমাম-বুখারি
প্রত্যেক নবীর একজন উত্তরসূরি আছে। আমার উত্তরসূরি আলি। ইবন জাওযি, ইবন হিব্বান, ইবন মাদিনি
আমার উম্মতের আলেমরা বনি ইসরাইলিদের নবীদের সমান। আলেমদের ইজমা দ্বারা স্বীকৃত
আমার পরিবার, সাহাবীরা আকাশের তারার মত, তাদের মধ্যে যাকেই তোমরা অনুসরণ করবে, তোমরা সঠিক পথে   থাকবে। আহমাদ হানবাল,   আয-যাহাবি, আলবানি
বিশ্বাসীর অন্তরে আল্লাহ ﷻ থাকেন। আয-যারকাশি, ইবন তাইমিয়া
যে নিজেকে জেনেছে, সে আল্লাহকেও ﷻ জেনেছে। আস-সুয়ুতি, ইমাম নাওয়ায়ি
আমি তোমাদেরকে দুটি উপশম বলে দিলাম—মধু এবং কু’রআন। আলবানি
যদি আরবদের অধঃপতন হয়, তাহলে ইসলামেরও অধঃপতন হবে। ইবন আবি হাতিম
যে কু’রআন শেখানোর জন্য কোন পারিশ্রমিক নেয়, সে কু’রআন শিখিয়ে আর কোন সওয়াব পাবে না। আয-যাহাবি
বিয়ে কর, আর কখনও তালাক দিয়ো না, কারণ তালাক দিলে আল্লাহর ﷻ আরশ কাঁপে। ইবন জাওযি
যে বরকতের আশায় তার ছেলের নাম মুহাম্মাদ রাখবে সে এবং তার ছেলে জান্নাত পাবে। ইবন জাওযি
যে হজ্জের উদ্দেশে মক্কায় গেছে কিন্তু মদিনায় গিয়ে আমার কবর জিয়ারত করেনি সে আমাকে অপমান করেছে। আস-সাগানি, ইবন জাওযি, আশ-শাওকানি
যে আমার (মুহম্মাদ ﷺ) কবর জিয়ারত করে তার জন্য সুপারিশ করা আমার জন্য ওয়াজিব হয়ে যায়। আলবানি
যে স্ত্রী তার স্বামীর অনুমতি না নিয়ে ঘরের বাইরে যায়, সে ফেরত না আসা পর্যন্ত আল্লাহর অসন্তুষ্টিতে থাকবে বা যতক্ষন না তার স্বামী তার প্রতি সন্তুষ্ট হয়। আলবানি
যদি নারী জাতি না থাকতো, তাহলে আল্লাহর ﷻ যথাযথ ইবাদত হতো। শেখ ফয়সাল
নারীর উপদেশ মেনে চললে অনুশোচনায় ভুগবে। শেখ ফয়সাল

এই হাদিসগুলো কেন জাল করা হয়েছে, কারা জাল করেছে এবং কোন হাদিস বিশারদরা জাল প্রমাণ করেছেন—তা পরে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

ভুল হাদিস থেকে দূরে থাকার উপায়

যখনি কারো কাছে কোনো হাদিস শুনবেন বা বই, পত্রিকা, টিভিতে কোনো হাদিস দেখবেন, যাচাই করে দেখবেন হাদিসটি সাহিহ কি না। যদি সাহিহ না হয়, তাহলে নিশ্চিত যে, সেই হাদিসটি যে নবী ﷺ এর কাছ থেকে এসেছে তার কোনো সন্দেহাতীত প্রমাণ নেই। এমনকি হাদিসটি সম্পূর্ণ বানোয়াট হাদিসও হতে পারে। অনেকে মনে করেন যে, প্রসিদ্ধ বইগুলো, যেমন জামিআত তিরমিযি, সুনানে আবু দাউদ—এগুলোর সব হাদিস সাহিহ। ভুল ধারণা। এগুলোতে অনেক হাদিস রয়েছে যেগুলো দুর্বল, এমনকি অনেক প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস তাদেরকে পরে জাল প্রমাণ করেছেন। যেমন, তিরমিযিতে এই হাদিসটি আছে—

আনাস (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন, “প্রত্যেকটি জিনিসের একটি অন্তর রয়েছে, কু’রআনের অন্তর হলো সূরা ইয়াসিন। যে সূরা ইয়াসিন তিলাওয়াত করবে, তার তিলাওয়াতের জন্য আল্লাহ দশ বার কু’রআন খতম দেওয়ার সমান সওয়াব লিখবেন।” [তিরমিযি বই ৪৫, হাদিস নম্বর ৩১২৯]

এটিকে প্রথমত দুর্বল (দা’ই’ফ) হাদিস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। শুধু তাই না, প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস শেখ নাসিরুদ্দিন আলবাণীর বহুল প্রচলিত জাল হাদিসের সম্পর্কে সাবধান করে লেখা বই “সিলসিলাত আল আহাদিছ আদিফা”-তে এটি ১৬৯ নম্বর জাল হাদিস হিসেবে চিহ্নিত। এছাড়াও ইবন আবি হাতিমও একে জাল প্রমাণ করেছেন।

মনে রাখবেন হাদিস নির্ভরযোগ্যতা অনুসারে চার প্রকারঃ

  • সাহিহ (নির্ভরযোগ্য) হাদিস – যেই হাদিসগুলো নবী ﷺ এর কাছ থেকে এসেছে—এর পক্ষে যথেষ্ট নির্ভরযোগ্য প্রমাণ আছে বলে হাদিস বিশারদরা অনেক গবেষণা করে প্রমাণ করেছেন। “সাহিহ বুখারি” এবং “সাহিহ মুসলিম” দুটি প্রধান সাহিহ হাদিসের সংকলন। সাহিহ হাদিসের উপর নির্ভর করে শারিয়াহ (আইন) তৈরি হয়। তবে সাহিহ হাদিস কয়জন বর্ণনা করেছেন, তার উপর নির্ভর করে কিছু প্রকারভেদ রয়েছে, যার উপর ভিত্তি করে হাদিসটির নির্ভরযোগ্যতা কতখানি সন্দেহাতীত, তা কম-বেশি হয়। যেমন মুতাওয়াতির – যে হাদিসগুলো এত বেশি বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন যে তা ভুল হবার সম্ভাবনা নেই; আহাদ (বিচ্ছিন্ন) ঘারিব (অদ্ভুত) হাদিস – যে হাদিসগুলোর বর্ণনাকারীদের কোনো এক পর্যায়ে শুধুই একজন সাক্ষি পাওয়া গেছে, যার ফলে তা মুতাওয়াতির সহিহ হাদিসের মত সন্দেহাতীত নয়, কারণ সেই একজন বর্ণনাকারী, হাদিস বর্ণনা করার সময় ভুল করতে পারেন। *বিখ্যাত হাদিস বিশারদ ইমাম ইবন আল-সালাহ তার মুকাদ্দিমাহ বইয়ে বলেছেন যে, “কোনো হাদিস সাহিহ হবার মানে এই নয় যে হাদিসের বাণীটি অকাট্য সত্য। একটি হাদিসকে সাহিহ তখনি বলা হয় যখন তা ৫টি শর্ত পূরণ করে। এই পাঁচটি শর্ত পূরণ করার পরেও একটি সাহিহ হাদিসের বর্ণনায় ভুল থাকতে পারে।” ইমাম তিরমিযি তার বইয়ে বলেছেন যে, তিনি তার সুনানে দুটি সাহিহ হাদিস অন্তর্ভুক্ত করেছেন, যেগুলো হাদিস সাহিহ হবার সকল শর্ত পূরণ করে, কিন্তু তারপরেও সংখ্যা গরিষ্ঠ উলামাদের ইজমা অনুসারে সেই হাদিসগুলোর বাণী ভুল এবং তাদের উপর আমল করা যাবে না। সুতরাং কী ধরণের সাহিহ হাদিসের উপর আমল করা যাবে এবং কোনটার উপর আমল করা যাবে না, সেটা আপনাকে একজন যথাযথ হাদিস বিশারদের (মুহাদ্দিস) কাছ থেকে জানতে হবে। [* মুফতি তাকি উসমানী, দারুল ইফতা]
  • হাসান (ভালো) হাদিস – যেই হাদিসগুলোর উৎস জানা আছে এবং কারা তা বর্ণনা করেছেন তা নিয়ে মতভেদ নেই। সাহিহ হাদিসের মতো এধরনের হাদিস নিশ্চিতভাবে নবী ﷺ এর কাছ থেকে এসেছে বলে হাদিস বিশারদরা দাবি করেন না, তবে এ ধরণের হাদিসের উপর ভিত্তি করে আমল করা যাবে, তা সমর্থন করেন। অনেক হাদিস বিশারদ এই হাদিসগুলোর উপর ভিত্তি করে শারিয়াহ তৈরি করা সমর্থন করেন।
  • দা’ই’ফ (দুর্বল) হাদিস – যেই হাদিসগুলো নবী ﷺ —এর কাছ থেকে এসেছে বলে কোন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই এবং তাদের বর্ণনাকারীদের মধ্যে এক বা একাধিক ব্যক্তি আছেন, যাদের চরিত্র এবং ধর্মীয় বিশ্বাস বিতর্কিত। যারা মিথ্যা বলেছেন, ভুল করেছেন এবং নিজেরা হাদিস বানিয়েছেন বলে প্রমাণ রয়েছে হাদিস বিশারদদের কাছে। এধরনের হাদিসের উপর আমল করবেন না এবং এধরনের হাদিস প্রচার করা থেকে বিরত থাকবেন। আজকাল দুর্বল হাদিসে পত্র পত্রিকা, বই, টিভির অনুষ্ঠানগুলো ভরে গেছে। লোকে মুখে হাজারো দুর্বল হাদিস প্রচলিত। বিখ্যাত হাদিস বিশারদ (মুহাদ্দিস) মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন আলবানি বহুল প্রচলিত ৫০০০ টি দুর্বল এবং জাল হাদিসের উপরে একটি বিখ্যাত বই লিখে গেছেন। এই হাদিসগুলো মুসলিম দেশগুলোতে, বিশেষ করে উপমহাদেশের মুসলমানদের কাছে ব্যাপক হারে প্রচার হচ্ছে এবং অনেকেই এর উপর ভিত্তি করে ফতোয়া দিচ্ছেন, আইন প্রচলন করছেন, এমন কি অনেক কিছু হারাম ঘোষণা করা হচ্ছে! সুদের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর নিষেধ কু’রআনে থাকা সত্ত্বেও জঘন্য সব দুর্বল হাদিসের ব্যপক প্রচার চলছেঃ
    • জেনেশুনে একটি দিরহামও সুদ খাওয়া ছত্রিশ বার ব্যভিচার করার চেয়ে বড় অপরাধ।
    • সুদ খাওয়ার ৭০ পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা আছে, এর মধ্যে আল্লাহর দৃষ্টিতে সবচেয়ে ছোট অপরাধ হচ্ছে মায়ের সাথে …

    রিবার উপরে আবু ঈসা নি’আমাতুল্লাহ এর আর্টিকেলটি দেখুন, যেখানে এরকম কিছু অত্যন্ত আপত্তিকর হাদিসের ভাষা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

  • মাওদু’ (জাল) হাদিসসম্পূর্ণ বানোয়াট, মিথ্যা হাদিস। বর্ণনাকারীরা ঘোরতর মিথ্যাবাদী, চরম প্রতারক। এধরনের হাদিস নবী ﷺ এর কাছ থেকে এসেছে এটা বলাটাও বিরাট গুনাহ। আলবানি এরকম অনেক জাল হাদিস প্রমাণ করা গেছেন, যেগুলো মুসলিম সমাজের মধ্যে এমন ভাবে ঢুকে গেছে যে সেগুলোকে আজকাল ধর্মের অংশ বলে মানা শুরু হয়ে গেছে এবং অনেক মসজিদের ইমামকেও দেখবেন এই জাল হাদিসগুলো না জেনে প্রচার করে যাচ্ছেন। এমনকি বাজারে অনেক বিখ্যাত বই পাবেন আপনি যেগুলো জাল হাদিসে ভরা। যেমন – আমলে নাজাত, ফাযায়েলে আমল ইত্যাদি।

হাদিসের প্রকারভেদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে দেখুনঃ

কারা হাদিস জাল করে?

হাদিস জাল করার উদ্দেশ্য অনেকগুলোঃ

  • মুনাফিকরা এবং কাফিররা মুসলমানদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার জন্য মুসলিম ছদ্মবেশে জাল হাদিস প্রচার করতো।
  • আলেমদের মধ্যে যারা নিজেরা যত বেশি হাদিস সংগ্রহ করেছে বলে দাবি করতে পারতো, সে তত বেশি সন্মান পেত। তাই সন্মানের লোভে অনেক আলেম, পীর, দরবেশ মিথ্যা হাদিস প্রচার করে গেছে। “এই হাদিসটির ইস্‌নাদ আমার কাছে একদম মুহাম্মাদ ﷺ থেকে এসে পৌঁছেছে”—এই ধরনের দাবি করতে পারাটা একটা বিরাট গৌরবের ব্যাপার ছিল, এখনও আছে।
  • রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য আগেকার রাজা-বাদশা, শাসকরা আলেমদের ব্যবহার করে মিথ্যা হাদিস প্রচার করতো। জনতাকে কোন প্রশ্ন করার সুযোগ না দিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য হাদিসের চেয়ে মোক্ষম অস্ত্র আর কিছু ছিল না।
  • ধর্মের প্রতি মানুষকে আরও অনুপ্রাণিত করার জন্য নানা চমকপ্রদ, অলৌকিক ঘটনায় ভরপুর জাল হাদিস প্রচার করা হত, যেগুলো শুনে সাধারণ মানুষ ভক্তিতে গদগদ হয়ে যেত।
  • ধর্মীয় উপাসনালয় এবং বিশেষ স্থানগুলোতে মানুষের আনাগোনা বাড়ানো এবং তা থেকে ব্যবসায়িক লাভের জন্য জাল হাদিস ব্যবহার করে সেসব স্থানের অলৌকিকতা, বিশেষ ফজিলত প্রচার করা হত। সাধারণ মানুষ তখন ঝাঁকে ঝাঁকে সেই সব অলৌকিক, প্রসিদ্ধ স্থানে গিয়ে তাদের বিপুল পরিমাণের অর্থনৈতিক লাভ করে দিয়ে আসতো।

ইতিহাসের কিছু বিখ্যাত হাদিস জালকারি—

খলিফা মাহদি আব্বাসির শাসনামলে আব্দুল কারিম বিন আল আরযাকে যখন শাস্তি স্বরূপ হত্যা করার জন্য আনা হয় তখন সে প্রায় চার হাজার হাদিস জাল করার কথা স্বীকার করেছিল।

আবু আসমা নুহ বিন আবি মারিয়াম কু’রআনের প্রতিটি সূরার নানা ধরণের ফজিলত নিয়ে শত শত জাল হাদিস প্রচার করেছে, যখন সে লক্ষ করেছিল মানুষ কু’রআনের প্রতি বেশি মনোযোগ দিচ্ছিল না। যেমন, সূরা ইয়াসিন কু’রআনের দশ ভাগের একভাগ, অমুক সূরা পড়লে কু’রআন খতমের সওয়াব পাওয়া যায় ইত্যাদি।  [কিতাব আল মাউজুয়াত – ইবন জাওযি, পৃষ্ঠা ১৪]

ওয়াহাব বিন মুনাব্বিহ নানা ধরণের ভালো কাজের বিভিন্ন ধরণের ফজিলত নিয়ে অনেক হাদিস জাল করেছে। সে একজন ইহুদি ছিল মুসলমান হবার আগে।  [আল মাউজুয়াত]

আবু দাউদ নাখি একজন অত্যন্ত নিবাদিত প্রাণ ধার্মিক ছিলেন। তিনি রাতের বেশিরভাগ সময় নামায পরতেন এবং প্রায়ই দিনে রোজা রাখতেন। তিনিও নানা ধরণের বানানো হাদিস প্রচার করেছেন মানুষকে ধর্মীয় কাজে মাত্রাতিরিক্ত মগ্ন রাখার জন্য। [আল মাউজুয়াত-৪১]

কিছু জাল হাদিসের ব্যাখ্যা

জ্ঞান অর্জনের জন্য সুদূর চীনে যেতে হলেও যাও

ইবন জাওযি এবং ইবন হিব্বান এটি জাল বলে প্রমাণ করেছেন। আলবানির সংকলিত ৫০০০ টি দুর্বল হাদিসের সংগ্রহে এটিকে জাল বলে চিহ্নিত করা হয়েছে [সিলসিলাতুল আহাদিথ আল যায়িফা, ভলুম ১, পৃষ্ঠা ৪১৩]। এই জাল হাদিসটি মানুষকে জ্ঞান অর্জনের জন্য উদ্বুদ্ধ করতে ব্যবহার করা হয়—যা নিঃসন্দেহে একটি মহৎ উদ্দেশ্য। কিন্তু সে জন্য নবীর ﷺ  নাম ব্যবহার করে ধর্মের নামে মিথ্যা কথা প্রচার করা একটি বিরাট গুনাহ।

যে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে আমার নামে মিথ্যা ছড়ায়, তার পরিণতি জাহান্নাম—সাহিহ বুখারি

জ্ঞান অর্জন একটি ধর্মীয় দায়িত্ব এবং আল্লাহ আমাদেরকে কু’রআনে বহু জায়গায় জ্ঞান অর্জনের কথা বলেছেন।

হে প্রভু, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করে দিন। (২০:১১৪) [রাব্বি যিদনি ই’লমান]

যারা জানে এবং যারা জানে না, কিভাবে তারা একে অন্যের সমান হতে পারে? (৩৯:৯)

আল্লাহ তাদের অন্তর কলুষিত করে দেন, যারা বিচার-বুদ্ধি ব্যবহার করে না। (১০:১০০)

তোমাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস করে এবং যাদেরকে জ্ঞান দেওয়া হয়েছে, আল্লাহ তাদেরকে অনেক সন্মানিত করবেন। (৫৮:১১)

কু’রআনের এত আয়াত থাকতে আমাদের জাল হাদিস প্রচার করার কোনো প্রয়োজন নেই।

জ্ঞানীর কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়ে বেশি পবিত্র

এই হাদিসটি আল-খাতিব আল-বাগদাদি তার The History of Baghdad 2/193 বইয়ে বর্ণনা করেছেন এবং একে জাল বলে প্রমাণ করেছেন।

এই হাদিসটি ইসলামের দাওয়াতের কাজকে ইসলামের জন্য সংগ্রাম করা থেকে বেশি সন্মান দেয়। এটি আগেকার দিনের কাপুরুষরা, যারা জিহাদে যেতে ভয় পেত, তারা প্রচার করতো, যাতে করে তারা জিহাদে অংশগ্রহণ করা থেকে পালিয়ে থাকতে পারতো। কু’রআনে এর সম্পূর্ণ বিপরীত বাণী রয়েছেঃ

শারীরিকভাবে অক্ষম ছাড়া যে সব বিশ্বাসীরা ঘরে বসে থাকে, তারা কোনোভাবেই তাদের সমান নয়, যারা নিজেদের জান এবং সম্পদ দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করে। যারা ঘরে বসে থাকে, তাদের থেকে মুজাহিদদের পদমর্যাদা আল্লাহ বাড়িয়ে দিয়েছেন। যদিও তিনি সকল বিশ্বাসীদেরকেই সুন্দর প্রতিদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কিন্তু যারা ঘরে বসে থাকে তাদের থেকে মুজাহিদদেরকে আল্লাহ অকল্পনীয় বেশি প্রতিদান দেন। (৪:৯৫)

তবে মনে রাখবেন, জিহাদ মানেই “আল্লাহু আকবার” বলে অমুসলিমদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়া নয়। জিহাদ শব্দের অর্থ আপ্রাণ চেষ্টা করা, কোনো কিছু অর্জনের জন্য সংগ্রাম করা। যেমন, কুপ্রবৃত্তি দমনের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করাটা একটি জিহাদ। পরিবার, সমাজ ও দেশের অন্যায় সংস্কৃতি থেকে নিজেকে দূরে রাখার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করাটাও জিহাদ।

একইভাবে নিজের কুপ্রবৃত্তির বিরুদ্ধে জিহাদ যে সর্বোত্তম জিহাদ বলে একটা হাদিস প্রচলিত আছে, সেটাও ভুল। ইবন তাইমিয়্যাহ বলেছেন—

কিছু লোক একটা হাদিস প্রচার করে যে, নবী মুহাম্মাদ ﷺ নাকি তাবুকের যুদ্ধের পর এসে বলেছিলেন, “আমরা একটা ক্ষুদ্রতর জিহাদ থেকে ফেরত এসে একটা বৃহত্তর জিহাদে আসলাম।” এই হাদিসের কোনো ভিত্তি নেই, ইসলামিক শিক্ষার সাথে জড়িত কোনো পণ্ডিত এই হাদিস বর্ণনা করেননি। কাফিরদের বিরুদ্ধে জিহাদ নিঃসন্দেহে সবচেয়ে মহৎ কাজ, এবং শুধু তাই না, এটি মানবজাতির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজের একটি। [ইবন তাইমিয়্যাহ — আল ফুরকান, পৃষ্ঠা:৪৪-৪৫]

দেশপ্রেম ঈমানের অঙ্গ

ইবন জাওযি একে জাল হাদিস বলে প্রমাণ করেছেন।

এই হাদিসটি মুসলমানদের মিথ্যা আশা দেয় যে, তারা দেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য চেষ্টা না করেও, শুধুই দেশ প্রেমের জন্য জান্নাতে যেতে পারবে। যেই দেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হয়নি এবং যেই দেশের সরকার ইসলামের নিয়ম অনুসারে দেশ পরিচালনা করে না, সেই দেশের জন্য প্রেম ঈমানের অঙ্গ হতে পারে না। ঈমানের একটি অত্যাবশ্যকীয় দাবি হচ্ছে: আল্লাহ ﷻ যেটা আমাদের জন্য সঠিক বলেছেন, সেটাকে মনে প্রাণে সঠিক মানা এবং আল্লাহ আমাদের জন্য যেটাকে খারাপ বলেছেন, সেটাকে মনে প্রাণে ঘৃণা করা।

এই ধরণের জাল হাদিস ব্যবহার করা হয় ধর্মের দোহাই দিয়ে দেশের মুসলমানদের মধ্যে দেশের প্রতি অন্ধ ভালবাসা সৃষ্টি করার জন্য। কাফির সরকার দ্বারা পরিচালিত কাফির শাসনতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত একটি দেশের প্রতি প্রেম আর যাই হোক, অন্তত আল্লাহর প্রতি ঈমানের অঙ্গ নয়।

তবে এটা অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে, দেশের আইন মেনে চলা এবং দেশের উপকার করা মুসলমানদের জন্য অত্যাবশ্যকীয়, যতক্ষন না সেটা ধর্মের বিরুদ্ধে না যাচ্ছে। কু’রআনের এই আয়াতগুলো দেখুন—

হে বিশ্বাসীরা, তোমরা সকল অঙ্গীকার পূর্ণ কর। …  [৫:১]

… তোমাদের অঙ্গীকার পূর্ণ কর। নিশ্চয়ই তোমাদেরকে অঙ্গীকারের ব্যপারে জিজ্ঞেস করা হবে। [১৭:৩৪]

… নিশ্চিত করার পরে কোন অঙ্গীকার ভাংবেনা কারণ তোমরা আল্লাহকে সাক্ষি করেছ। … [১৬:৯১]

আমরা যখন যেই দেশে থাকছি, আমরা সেই দেশের আইন মেনে চলার অঙ্গীকার করে সেই দেশে থাকার অনুমতি পাই। সুতরাং ধর্মীয় সীমা না ভেঙ্গে দেশের আইন মেনে চলতে আমরা বাধ্য, যেহেতু আমরা অঙ্গীকার করেছি। 

আল্লাহ সেই বান্দাকে ভালবাসেন যে তাঁর ইবাদতে ক্লান্ত, নিস্তেজ হয়ে পড়ে

আদ-দার কুতনি একে জাল বলে প্রমাণ করেছেন।

এটি কু’রআনের পরিপন্থী। আল্লাহ ﷻ আমাদেরকে কু’রআনের বেশ কয়েকটি জায়গায় বলে দিয়েছেন যে, তিনি আমাদের জন্য সহজ, স্বাচ্ছন্দ্য চান, তিনি মোটেও আমাদের জন্য কষ্টকর কিছু চান না।

আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ-সাচ্ছন্দ চান, তিনি তোমাদের জন্য কষ্ট চান না। [২:১৮৫]

আল্লাহ তোমাদের জন্য কষ্ট কর কিছু চান না, বরং তিনি শুধুই তোমাদেরকে পবিত্র করতে চান এবং তোমাদের উপর তাঁর অনুগ্রহকে পূর্ণ করতে চান, যাতে করে তোমরা কৃতজ্ঞ হতে পারো। [৫:৬]

এই ধরণের হাদিসকে সাধারণত ব্যবহার করা হয় মাত্রাতিরিক্ত ইবাদতে মানুষকে ব্যস্ত রাখার জন্য। এধরনের হাদিস সারা রাত জেগে শবে বরাতের নামায পড়া, বা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করতে গিয়ে শক্তি নিঃশেষ করে ফেলা ইত্যাদি বাড়াবাড়িকে অনুপ্রাণিত করে। অনেকে এই ধরণের ভুল ধারনায় অনুপ্রাণিত হয়ে হজ্জের সময় এক দিনে দুই বার তাওয়াফ-সায়ি করে নিস্তেজ হয়ে পড়েন, আর ফজরের ফরয নামায পড়তে পারেন না। এধরনের বাড়াবাড়ি বা ধর্মের জন্য ‘নিঃশেষে আত্মত্যাগ’—এই ধরণের আত্মহত্যা মানসিকতা মোটেও কু’রআনের শিক্ষা নয়।

ধর্মীয় উপাসনা এবং হালাল ভাবে জীবন যাপনের জন্য যা কিছু করা দরকার, তার মধ্যে সুন্দর ভাবে ভারসাম্য বজায় রেখে শান্তির, সাচ্ছন্দের জীবন পার করাটাই কু’রআনের শিক্ষা।

মুহাম্মাদ ﷺ সৃষ্টি না করলে আল্লাহ কোন কিছুই সৃষ্টি করতেন না। মুহাম্মাদ ﷺ এর নূর থেকে সমস্ত সৃষ্টি জগত সৃষ্টি হয়েছে

আয-যাহাবি বলেন, এই হাদিসের বর্ণনাকারির মধ্যে আব্দুল্লাহ ইবন মুসলিম আল ফিরি আছে, যে একজন কুখ্যাত মিথ্যাবাদী। ইবন হিব্বান বলেন, আব্দুল্লাহ ইবন মুসলিম অনেক হাদিস জাল করে প্রচার করে গেছে, যেগুলো সে দাবি করতো সে লাইথ এবং মালিক এর কাছ থেকে শুনেছে। আলবানিও এই হাদিসটিকে জাল বলে প্রমাণ করেছেন। ইমাম যাহাবি এবং ইবন তাইমিয়াহ একে বাতিল-মিথ্যা হাদিস বলেছেন।

এই হাদিসটি একটি বড় হাদিসের অংশবিশেষ, যেটার ঘটনা হচ্ছে এরকম—যখন আদম ﷺ  নিষিদ্ধ গাছের ফল খেয়ে অন্যায় করলেন, তখন তিনি আল্লাহর ﷻ কাছে ক্ষমা চেলেন এই বলে যে, “হে প্রভু, আমি তোমার কাছে ক্ষমা চাই, তোমার উপর মুহম্মদের ﷺ এর অধিকারের দোহাই দিয়ে।” তখন আল্লাহ ﷻ নাকি বলেছিলেন, “হে আদম, তুমি মুহম্মদের ব্যপারে কিভাবে জানলে, যাকে আমি এখনও সৃষ্টি করিনি?” আদম ﷺ নাকি উত্তর দিয়েছিলেন, “হে প্রভু, তুমি যখন আমাকে তোমার নিজের হাতে বানিয়েছিলে এবং তোমার রুহকে আমার ভেতরে ফুঁ দিয়েছিলে, আমি তখন মাথা উচু করেছিলাম এবং দেখেছিলাম তোমার কুরসিতে লেখা—আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ তার রাসুল। সেখান থেকে আমি বুঝেছিলাম যে—তুমি তোমার পাশে কারো নাম ব্যবহার করবে না, যদি না সে তোমার সবচেয়ে পছন্দের কেউ না হয়।” তখন নাকি আল্লাহ ﷻ বলেছিলেন, “ও আদম, তুমি ঠিক কথা বলেছ। আমার সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে পছন্দ হল মুহাম্মাদ। আমার উপর তার অধিকারের দোহাই দিয়ে আমাকে ডাকো। আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিব। আর যদি মুহাম্মাদকে না বানাতাম, তাহলে আমি তোমাকে বানাতাম না।”

এটি একটি সম্পূর্ণ জাল হাদিস। শুধু এই হাদিসটিই নয়, এধরনের আরও অনেক রূপকথার হাদিস রয়েছে, যেখানে মুহাম্মাদ ﷺ  কে আল্লাহর ﷻ কাছাকাছি একজন অতিমানবীয় অলৌকিক সৃষ্টি প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়। বিশেষ করে বেশ কিছু সুফি মতবাদ আছে, যারা এই ধরণের অনেক জাল হাদিসকে ব্যবহার করে নবী ﷺ—কে উসিলা করে তার মাধ্যমে আল্লাহর ﷻ কাছে দাবি করার জন্য। এই ধরণের ভুল তাওয়াসসুল (আল্লাহর নিকটবর্তী হবার চেষ্টা) হারাম। যেমন, “হে আল্লাহ, তোমার পেয়ারের নবীর কসম, আমরা তার উম্মত, তার উসিলায় আমাদের গুনাহ ক্ষমা করে দাও”, “হে আল্লাহ, তুমি তোমার নবীকে অমুক দিয়েছিলে, তার উসিলায় আমাদেরকে তমুক দাও” ইত্যাদি। আমরা কখনই নবীর ﷺ কোনো গুণ বা অবদানের দোহাই দিয়ে আল্লাহর কাছে কিছু চাইতে পারবো না। শুধুমাত্র আমাদের নিজেদের ইবাদতের বদলে আল্লাহর ﷻ কাছে চাওয়া যাবে। যেমন, “আমার রোজার বিনিময়ে আমার সব গুনাহ মাফ করে দিন”, “আমার হজ্জের বিনিময়ে আমাকে সুস্থ করে দিন” ইত্যাদি। মনে রাখবেন, আমাদের আল্লাহর ﷻ উপর কোনই অধিকার নেই, কারণ আমরা কেউই আদর্শ মুসলমান নই যে, আমরা আল্লাহর ﷻ কাছে কোনো দাবি রাখার মত মুখ করতে পারি।

উপরের জাল হাদিসটি কু’রআনের বিরোধী, কারণ আল্লাহ ﷻ নিজে আদম ﷺ এবং তার স্ত্রীকে শিখিয়েছিলেন কিভাবে তাঁর কাছে মাফ চেতে হবে এবং তারপর তিনি তাদের দুজনকেই ক্ষমা করে, তাদের উপর রহমত করেছিলেন এবং তাদেরকে ধর্মীয় জ্ঞান দিয়েছিলেন। আল্লাহ ﷻ নিজে আদমকে ﷺ এই দু’আটি শিখিয়েছিলেন তাঁর কাছে সঠিক ভাবে ক্ষমা চাওয়ার জন্য—

প্রভু, আমরা আমাদের নফসের প্রতি অন্যায় করেছি। আপনি যদি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং আমাদের উপর আপনার রহমত না দেন, তাহলে আমরা নিশ্চয়ই ধ্বংস হয়ে যাবো। [৭:২৩]

আর যেসব হাদিস বলে নবীকে ﷺ সৃষ্টি না করলে আল্লাহ ﷻ কোনো কিছুই সৃষ্টি করতেন না, তারা কু’রআনের এই আয়াতগুলোর বিরোধিতা করে –

আমি মানুষ এবং জ্বিন সৃষ্টি করেছি একমাত্র আমার দাসত্ব করার জন্য। [৫১:৫৬]

যারা বলে আল্লাহ ﷻ সবকিছু সৃষ্টি করেছেন নবী ﷺ এর জন্য এবং তাকে না বানালে তিনি মানুষ, জ্বিন কিছুই বানাতেন না—তারা শিরক করে। একইভাবে যারা বলে, আল্লাহ ﷻ সবকিছু সৃষ্টি করেছেন নবী ﷺ এর নূর থেকে, তাদের এই দাবির কোন সমর্থন কু’রআনে নেই, কারণ আল্লাহ ﷻ কু’রআনে পরিস্কার বলে দিয়েছেন তিনি কেন এবং কিভাবে সৃষ্টি জগত সৃষ্টি করেছেন। কু’রআনের কোথাও নবী ﷺ এর নূরের কোন উল্লেখ নেই।

অবিশ্বাসীরা কি দেখেনা যে আকাশ এবং পৃথিবী একসাথে সংযুক্ত ছিল এবং ‘আমি’ তাদেরকে বিদীর্ণ করে আলাদা করেছি এবং আমি সকল প্রান সৃষ্টি করেছি পানি থেকে? তারপরেও কি তারা বিশ্বাস করবে না? [২১:৩০]

তিনি আকাশগুলো এবং পৃথিবীকে সৃষ্টি করেছেন এক বিশেষ উদ্দেশে। যেদিন তিনি বলবেন হও, সেদিন তা (ধ্বংস) হয়ে যাবে। …  [৬:৭৩]

তিনি আকাশ এবং পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা। যখন তিনি কিছু আদেশ করেন, তিনি শুধু বলেন “হও” আর তা হয়ে যায়। [২:১১৭]

আর যারা দাবি করে যে, তারা জানে আল্লাহ ﷻ কিভাবে বা কিসের থেকে সৃষ্টি জগত সৃষ্টি করেছেন, তারা মিথ্যা বলেঃ

আমি তাদেরকে আকাশ এবং পৃথিবীর সৃষ্টির সাক্ষি রাখিনি এবং তাদের নিজেদের সৃষ্টিরও সাক্ষি রাখিনি। যারা অন্যদেরকে বিভ্রান্ত করে তাদেরকে আমি আমার সহকারী হিসেবে নেই না। [১৮:৫১]

সুতরাং কেউ জানেনা সৃষ্টি জগত কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে। এমন কি কেউ জানে না সে নিজে কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে। মানুষ জানে না মানুষ কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে, জ্বিন জানে না জ্বিন কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে। আল্লাহ কাউকে তাদের সৃষ্টির সময় সাক্ষি রাখেননি অর্থাৎ তারা কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে তা তারা দেখেনি, শুনে নি এবং জানেও না।

যে শুক্রবার আমার প্রতি ৮০বার দুরুদ পাঠাবে তার ৮০ বছরের গুনাহ মাফ হয়ে যাবে

এই হাদিসটি আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণীত বলে দাবি করা হলেও এটি একটি জাল হাদিস। তাবলীগ জামাতের কিছু বইয়ে এই ধরণের হাদিস অনেক পাওয়া যায়, যেখানে দুরুদের নানা ধরণের মাত্রাতিরিক্ত সওয়াব, ফজিলত ইত্যাদি বর্ণনা করা থাকে। আল্লামা সাখায়ি একে দুর্বল এবং আলবানি একে জাল হাদিস বলে চিহ্নিত করেছেন। এটি কু’রআনের পরিপন্থি কারণ আল্লাহ ﷻ স্পষ্ট ভাবে বলে দিয়েছেনঃ

যে একটি ভালো কাজ নিয়ে আসবে, আল্লাহ তাকে তার দশ গুণ বেশি প্রতিদান দিবেন এবং যে একটি খারাপ কাজ নিয়ে আসবে, তাকে তার সমান প্রতিদান ছাড়া কম-বেশি দেওয়া হবে না। কারো সাথে বিন্দুমাত্র অবিচার করা হবে না। [৬:১৬০]

সুতরাং যখনি কোন হাদিস পাবেন যে, অমুক করলে ১০ বছরের গুনাহ মাফ হয়ে যাবে, তমুক করলে ১০ বছর নফল নামায পড়ার সওয়াব পাওয়া যাবে, ধরে নিতে পারেন সেগুলো হয় দুর্বল হাদিস, না হয় জাল হাদিস।

যদি নারী জাতি না থাকতো, তাহলে আল্লাহর যথাযথ ইবাদত হতো

এই হাদিসের বর্ণনাকারিদের মধ্যে আব্দুর রাহিম ইবন যায়িদ আছে, যাকে হাদিস বিশারদরা মিথ্যাবাদী এবং একজন প্রতারক বলে চিহ্নিত করেছেন।

নারীদেরকে চরম অপমান করে, এমন হাদিসের কোনো অভাব নেই। আপনি যে কোন হাদিসের বই খুললেই শ’খানেক হাদিস পাবেন, যেখানে নারীদেরকে পুরুষদের থেকে অধম, ধর্মীয় ভাবে পশ্চাদপদ, পুরুষদের অধীন করে রাখা হয়েছে। আপনি কু’রআন ভালো করে পড়লেই বুঝতে পারবেন আল্লাহ ﷻ নারীদেরকে কত বড় সন্মান দিয়েছেন এবং তাঁর কাছে পুরুষ এবং নারী উভয়েই সমানভাবে সন্মানিত (কিন্তু দায়িত্ব ভিন্ন) এবং উভয়কেই সমান পুরস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন—

নিশ্চয় আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ করা পুরুষ, আত্মসমর্পণ করা নারী, বিশ্বাসী পুরুষ, বিশ্বাসী নারী, অনুগত পুরুষ, অনুগত নারী, সত্যবাদী পুরুষ, সত্যবাদী নারী, ধৈর্য্যশীল পুরুষ, ধৈর্য্যশীল নারী, বিনীত পুরুষ, বিনীত নারী, দানশীল পুরুষ, দানশীল নারী, রোযা পালণকারী পুরুষ, রোযা পালনকারী নারী, যৌনাঙ্গ হেফাযতকারী পুরুষ,  যৌনাঙ্গ হেফাযতকারী নারী, আল্লাহর অধিক যিকরকারী পুরুষ ও যিকরকারী নারী-তাদের জন্য আল্লাহ প্রস্তুত রেখেছেন ক্ষমা ও মহাপুরষ্কার। [৩৩:৩৫]

আমরা ভুলে যাই, প্রথম মুসলিম হয়েছিলেন যিনি, ইসলামের জন্য নিজের সকল সম্পত্তি যিনি উৎসর্গ করেছিলেন— সেই খাদিজা (রা) একজন নারী। প্রথম যিনি ইসলামের জন্য জীবন দিয়ে শহীদ হয়েছিলেন, তিনি একজন নারী—সুমাইয়া (রা)। ইসলামের চারজন অন্যতম হাদিস বর্ণনাকারীর মধ্যে আয়েশা (রা) একজন নারী। সর্বপ্রথম ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় ‘আল-কারাওয়িন’ এর প্রতিষ্ঠাতা একজন নারী—ফাতিমা আল-ফিহরি। শেখ মুহম্মাদ আকরাম আল-নদভি তার ৫৩ ভলিউমে প্রায় ৮০০০ মহিলা হাদিস বিশারদের (মুহাদ্দিথাত) জীবনী সংগ্রহ করেছেন।

ইসলামে নারীদের অবদানের কোনো অভাব নেই। যদি সত্যিই নারী জাতি না থাকলে আল্লাহর ঠিকমত ইবাদত হতো, তাহলে আল্লাহ ﷻ খামোখা নারী জাতি সৃষ্টি করতেন না, কারণ মানুষকে সৃষ্টি করার উদ্দেশ্য হচ্ছে আল্লাহর ইবাদত (দাসত্ব) করা। নারী জাতিকে সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যও হচ্ছে আল্লাহর ইবাদত করা। এধরনের কথা যারা বলে, তারা আসলে বলছে, আল্লাহ ﷻ নারীদেরকে সৃষ্টি করে একটা ভুল করেছেন—নাউ’যুবিল্লাহ।

সুত্রঃ

By ওমর আল জাবির

কু'রআনকে গভীরভাবে ভালবাসি। সত্যকে জেনে, তা নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করে অন্যদেরকে অনুপ্রেরণা দেবার চেষ্টা করি।

113 comments

  1. Hi,

    First of all, thank you so much.

    I always used to think that only hadiths found in “Sihah Sitta” (i.e., six hadith journals believed to contain only true hadiths) are beyond doubt.

    It will be good to see another column in the table which will show if any of the six mentions that particular hadith. (You can mention that none of these hadith journals mention that… in that case, some one like me will take that for granted… it’s definitely wrong :P)

    -Nayeem

    1. এই হাদিসগুলোর একটাও সাহিহ হাদিস নয়। তাই এগুলোর একটাও কোন সাহিহ হাদিসের বইয়ে পাবেন না।

      1. ak jaygay deksi je meye perfume use kore tar namaj hoy na,. kintu namaj howar shorto to perfume noy. kintu amar barbar mone hocche je faketai true. emon keno hocche. ami to sohih hadis er baire chole jacchi. shondeho thakle ki gunah hobe ?

  2. sALAM,

    The article is showing that you did a good research. But I have a question regarding some points. As per the rules written above, I’ll ask only one question now. May I know in which book of hadith it is written that Our prophet is a noor? and what is the explanation of this Quranic verse, ,”There has come to you a light from Allah and a clear Book,”[33:45]

    1. Wasalam,
      The concept of “everything is created from Prophet’s noor” is not in any authentic Hadeeth book. It is only found in the books of Sufism, but nowadays it has made into general books about Islam and is being narrated by Imams in mosques. I have heard such Hadeeth personally in various mosques during Jummah khutba.
      This article has some details on this:
      http://therealislam1.wordpress.com/2011/02/18/the-dodgy-noor-connection/

      In Quran, noor has been used consistently as a synonym for guidance. For ex:
      2:257, 5:16, 14:1, 14:5, 33:43, 57:9, 65:11

      Quran has been mentioned as a noor for us as well.
      35:25
      Even Torat has been mentioned as a noor:
      5:44

      Allah has given parable of person on guidance as “person with noor”.
      6:122

      We also have “noor” which we pray to Allah to be perfected:
      66:8

      So, not just the Prophet (sa) but we also have noor.

      You can read this article about various use of noor:
      http://therealislam1.wordpress.com/2009/06/14/is-allah-noor-light-and-was-prophet-muhammad-pbuh-made-of-noor/

      1. মহানবীর নূর হওয়া সম্পর্কিত বিখ্যাত হাদীস ও তাঁর বিশ্লেষণ

        সংকলনঃ মুহাম্মদ রিদওয়ানুল হক্ব।
        সম্পাদনাঃ মুহাম্মদ মহিউদ্দীন।

        আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত তথা সাহাবায়ে কিরাম, আসলাফে কিরাম, আউলিয়ায়ে কিরাম এবং ওলামায়ে উম্মত এর স্বীকৃত আক্বিদা বা বিশ্বাস হচ্ছে, হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সত্ত্বাগত ভাবে নূর অর্থাৎ নূরের সৃষ্টি। এর স্বপক্ষে অসংখ্য প্রমাণাদি কুর’আন-হাদীসের মধ্যে বিদ্যমানও রয়েছে।তন্মধ্যে কুর’আন শরীফের উল্লেখযোগ্য আয়াত হলো, সূরা মায়েদার পনেরোতম আয়াতটি।যার ব্যাখ্যায় অধিকাংশ তাফসীরকারকগণ নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নূর বলে উল্লেখ করেছেন।আর অসংখ্য হাদীস শরীফের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হাদীস হচ্ছে, জলীল কদর সাহাবী হযরত জাবের রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু’র বর্ণিত হাদীসটি। যাতে হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা’র নবুয়তী জবানেই বলা হয়েছে যে,তিনি নূর।এর ফলে নবীজী যে নূরের সৃষ্টি,সেটা সাহাবায়ে কিরাম এবং আসলাফে কিরামের আক্বিদা হয়ে যায়।এবং পরবর্তীতে তাদের পদাঙ্ক অনুসরণে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতেরও আক্বিদা বা বিশ্বাসে পরিণত হয় এটা।

        এতকাল যাবত হাদীস শরীফটির ব্যাপারে কোন মুজতাহিদ,মুফাসসির বা মুহাদ্দিসগণের কোন সংশয় বা আপত্তি না থাকলেও, বর্তমান সময়ে মাথাচাড়া দেওয়া কিছু নব্য বিদ’আতী ফির্কার লোকেরা হাদীসটিকে অস্বীকার করে আসছে। হাদীসটিকে অস্বীকার করার মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে, নবীর নূর হওয়াকে অস্বীকার করা। সুতরাং ভূমিকা দীর্ঘ না করে আসুন জেনে নিই হাদীসটি এবং তাঁর বিশুদ্ধতা সম্পর্কে।

        নুর সম্পর্কিত বিখ্যাত হাদীসটি হচ্ছে,
        عن جابر بن عبد الله رضى الله عنه قال : قلت يا رسول الله بابى انت وامى اخبرنى عن اول شئ خلق الله تعالى قبل الاشياء ؟ قال يا جابر ان الله تعالى قد خلق قبل الاشياء نورنبيك من نوره فجعل ذالك النور يدور بالقدرة حيث شاء الله تعالى ولم يكن في ذالك الوقت لوح ولا قلم ولا جنة ولا ملك ولا سماء ولا ارض ولا شمس ولا قمر ولا جن ولا انس – فلما اراد الله تعالى ان يخلق الخلق قسم ذالك النور اربعة اجزاء فخلق من الجزء الاول القلم و من الثاني اللوح ومن الثالث العرش ثم قسم الجزء الربع اربعة اجزاء فخلق من الاول حملة العرش ومن الثانى الكرسى ومن الثالث باقى الملائكة ثم قسم الربع اربع اجزاء فخلق من الاول السماوات ومن الثانى الارضين ومن الثالث الجنة والنار————————————— الخ
        হযরত জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, আমি আরজ করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা ! আপনার প্রতি আমার পিতা মাতা উৎসর্গিত। আল্লাহ তায়ালা সব কিছুর পূর্বে কোন বস্তুটিট সৃষ্টি করেছেন ? জবাবে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা ইরশাদ করলেন, হে জাবের! আল্লাহ তায়ালা সর্বপ্রথম সমস্ত বস্তুর পূর্বে তাঁর আপন নূর হতে তোমার নবীর নূরকে সৃষ্টি করেছেন। তারপর আল্লাহ্র ইচ্ছানুযায়ী সেই নূর পরিভ্রমণ করতে লাগল। ওই সময় না ছিল লউহে-মাহফুজ, না ছিল কলম, না ছিল বেহেশত, না ছিল দোজখ, না ছিল ফেরেশতা, না ছিল আকাশ, না ছিল পৃথিবী, না ছিল সূর্য, না ছিল চন্দ্র, না ছিল জ্বিন জাতি, না ছিল মানবজাতী। অতঃপর যখন আল্লাহ্ তায়ালা অন্যান্য বস্তু সৃষ্টি করার মনস্থ করলেন, তখন ওই নূর কে চার ভাগ করে প্রথম ভাগ দিয়ে কলম, দ্বিতীয় ভাগ দিয়ে লউহে-মাহফুজ, তৃতীয় ভাগ দিয়ে আরশ সৃষ্টি করলেন। অবশিষ্ট এক ভাগকে আবার চার ভাগে ভাগ করে প্রথম ভাগ দিয়ে আরশ বহনকারী ফেরেশতা, দ্বিতীয় ভাগ দিয়ে কুরসি, তৃতীয় ভাগ দিয়ে অন্যান্য ফেরেশতা সৃষ্টি করলেন। দ্বিতীয় চার ভাগের অবশিষ্ট এক ভাগ কে আবার পুনরায় চার ভাগ করে প্রথম ভাগ দিয়ে আকাশ, দ্বিতীয় ভাগ দিয়ে জমিন, তৃতীয় ভাগ দিয়ে বেহেশত-দোজখ সৃষ্টি করলেন। অবশিষ্ট এক ভাগ কে আবার চার ভাগে ভাগ করে প্রথম ভাগ দিয়ে মোমেনদের নয়নের দৃষ্টি, দ্বিতীয় ভাগ দিয়ে কালবের নূর তথা আল্লাহ্র মারেফত, তৃতীয় ভাগ দিয়ে তাদের মহববতের নূর তথা তাওহিদী কালেমা “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা)” সৃষ্টি করলেন এবং বাকি এক ভাগ দিয়ে সমস্ত কিছু সৃষ্টি করলেন।
        [হাদীস সূত্রঃ- মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক, খন্ড-০১, পৃষ্ঠা-৯৯, হাদীস নং-১৮।সহীহ হাদীসের এই কিতাবটি ইমাম বুখারী রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর দাদা উস্তাদ মুহাদ্দীস আব্দুর রাজ্জাক রহমাতুল্লাহি কর্তৃক রচিত; প্রকাশনী- দারুল মুহাদ্দীস, রিয়াদ, সৌদি আরব]
        বিঃদ্রঃ খারেজীরা হাদীসটিকে তার অধ্যায় সহকারেই পরবর্তীতে গায়েব করে ফেলে। আলহামদুলিল্লাহ ! তাদের ষড়যন্ত্রের শিকার হওয়া মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক সম্পাদিত আসল কিতাবের ‘নূরের’ অধ্যায়ের মূল কপিটি বহু বছর পর বর্তমানে উদ্ধার করা হয়েছে। তুরস্কের ইস্তাম্বুলের জাদুঘরে এটি সংরক্ষিত আছে।

        হাদীস শরীফটির বিশুদ্ধতাঃ
        • (১) হাদীসের সনদটি নিম্নরূপঃ
        রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে >> জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে >> মুহাম্মাদ বিন মুকদার রাহমাতুল্লাহি আলাইহি হতে >> মা’মার বিন রাশীদ হতে >> আব্দুর রাজ্জাক রাহমাতুল্লাহি আলাইহি পর্যন্ত। অর্থাৎ হাদীসটিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা হতে আব্দুর রাজ্জাক রহমাতুল্লাহি আলাইহি পর্যন্ত মাঝখানে মাত্র চারজন রাবী রয়েছেন।

        • (২) হাদীসটি সম্পর্কে মুহাদ্দীসগণের মন্তব্যঃ
        (ক) হাফেজে হাদিস, উপমহাদেশের বুখারী, মুহাদ্দিস হযরত আব্দুল হক দেহলভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তাঁর সুবিখ্যাত সিরাত গ্রন্থ “মাদারিজ নবুয়ত” গ্রন্থে হাদীসটিকে হাসান ও সহীহ বলেছেন।
        (খ) আহমাদ ইবন সালীহ রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, “আমি একবার আহমাদ বিন হাম্বল রহমাতুল্লাহি আলাইহি’কে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি হাদীস শাস্ত্রে আব্দুর রাজ্জাকের থেকে ভালো আর কাউকে পেয়েছেন ? আহমাদ বিন হাম্বল রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, না”। [আসকলানী, তাহজিবুত তাহজিব ২/৩৩১]
        (গ) হাদীসটির একজন রাবী হলেন মা’মার বিন রাশীদ। উনার সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, আমি বসরা নগরীর সকল হাদীস শাস্ত্র বিশেষজ্ঞদের থেকে মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাকের মা’মার বিন রাশীদ এর সূত্রে পাওয়া হাদীসগুলো পছন্দ করি।
        (ঘ) ইমাম ইবন হাজর আসকলানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনাকে দক্ষ মুখস্থবিদ এবং নির্ভরযোগ্য বলেন। [আসকলানী, তাহজিবুত তাহজিব ১/৫০৫]
        (ঙ) বুখারী শরীফে মা’মার বিন রাশীদ সূত্রে বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা প্রায় ২২৫ এবং মুসলিম শারীফে বর্ণিত হাদীস সংখ্যা প্রায় ৩০০।
        (চ) হাদীসটির আরেক রাবী হলেন মুহাম্মাদ বিন মুকদার। ইমাম হুমায়দি বলেন, মুকদার একজন হাফিজ। ইবন মা’ঈন বলেন, উনি নির্ভরযোগ্য। [আসকলানী, তাহজিবুত তাহজিব খন্ডঃ-০৯/১১০৪৮]
        (ছ) মুকদার থেকে বর্ণিত হাদীসের সংখ্যা বুখারী শরীফে ৩০টি এবং মুসলিম শরীফে ২২টি।
        (জ) আর জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু একজন সুপ্রসিদ্ধ সাহাবী। বুখারী ও মুসলিম শরীফের উনার থেকে বর্ণিত অনেক হাদীস আছে।
        সুতরাং বুঝা গেল। হাদীসটির সকল রাবীই নির্ভরযোগ্য এবং উনাদের সূত্রে বুখারী ও মুসলিম শরীফেও হাদীস বর্ণিত আছে।
        • (৩) নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লাম এর ‘নূর’ সম্পর্কিত ‘মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক’ আরবী মূল কিতাবের স্ক্যান কপিসহ বিস্তারিত দেখুন নিচের লিঙ্কে,
        http://alturath.info/hadeeth/abdel-razek/abdel-razek.htm
        এবং এই হাদীস শরীফটিকে আরও যে সমস্ত কিতাবে সহীহ হাদীস হিসেবে মন্তব্য করে দলীল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে-
        ১। দালায়েলুন নবুওয়াত ১৩/৬৩ ।
        ২। মাওয়াহেবুল্লাদুন্নিয়া ১/৯ ।
        ৩। মাদারেজুন নবুওয়াত ২/২ ।
        ৪। যুরকানী ১/৪৬ ।
        ৫। রুহুল মায়ানী ১৭/১০৫ ।
        ৬। সিরাতে হালবীয়া ১/৩০ ।
        ৭। মাতালেউল মাসাররাত ২৬৫ পৃষ্ঠা ।
        ৮। ফতোয়ায়ে হাদীসিয়া ১৮৯ পৃষ্ঠা ।
        ৯। নি’ মাতুল কুবরা ২ পৃষ্ঠা;
        ১০। হাদিকায়ে নদীয়া ২/৩৭৫ ।
        ১১। দাইলামী শরীফ ২/১৯১ ।
        ১২। মকতুবাত শরীফ ৩ খন্ড ১০০ পৃষ্ঠা ।
        ১৩। ইনছানুল উয়ুন ১/২৯ ।
        ১৪। নূরে মুহাম্মদী ৪৭ পৃষ্ঠা ।
        ১৫। আল আনোয়ার ফি মাওলিদিন নবী ৫ পৃষ্ঠা ।
        ১৬। আফদ্বালুল ক্বোরাঃ তারীখুল খমীসঃ নুজহাতুল মাজালিস ১ খন্ড ।
        ১৭। দুররুল মুনাজ্জাম ৩২ পৃষ্ঠা ।
        ১৮। কাশফুল খফা ১/৩১১ ।
        ১৯। তারিখ আননূর ১/৮ ।
        ২০। আনোয়ারে মুহম্মদীয়া ১/৭৮ ।
        ২১। আল মাওয়ারিদে রাবী ফী মাওলীদিন নবী ।
        ২২। তাওয়ারীখে মুহাম্মদ ।
        ২৩। আনফাসে রহীমিয়া ।
        ১৪। মা’ য়ারিফে মুহম্মদী ।
        ১৫। মজমুয়ায়ে ফতোয়া ২/২৬০ ।
        ১৬। নশরুতত্বীব ৫ পৃষ্ঠা ।
        ১৭। আপকা মাসায়েল আওর উনকা হাল ৩/৮৩ ।
        ১৮। শিহাবুছ ছাকিব ৫০ পৃষ্ঠা ।
        ১৯। মুনছিবে ইছমত ১৬ পৃষ্ঠা ।
        ২০। রেসালায়ে নূর ২ পৃষ্ঠা ।
        ২১। হাদিয়াতুল মাহদী ৫৬ পৃষ্ঠা ।
        ২২। দেওবন্দী আজিজুল হক অনুবাদকৃত বুখারী শরীফ ৫/৩ ।
        (৪) এ সম্পর্কে আরো কয়েকটি হাদীস শরীফঃ

        => বোখারী শরীফের ব্যাখ্যাকার আল্লামা ইমাম আহমদ কুস্তলানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি তাঁর সুপ্রসিদ্ধ কিতাব মাওয়াহেবে লাদুন্নিয়ায় হযরত ইমাম জয়নাল আবেদীন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে, তিনি তাঁর পিতা হযরত ইমাম হোসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে, তিনি তাঁর পিতা হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে, তিনি রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন,
        “নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, “আমি হযরত আদম আলাইহিস সালাম সৃষ্টির চৌদ্দ হাজার(১৪,০০০) বছর পূর্বে আল্লাহর নিকট ‘নূর’ হিসাবে বিদ্যমান ছিলাম।”
        [মাওয়াহেবে লাদুনিয়া, প্রথম খন্ড, পৃষ্ঠা-৯; যুরকানী শরীফ, প্রথম খন্ড, পৃষ্ঠা-৪৬; সিরাতে হালভিয়া, প্রথম খন্ড, পৃষ্ঠা-৩৭, হুজ্জাতুল্লাহি আলাল আলামিম, পৃষ্ঠা- ২৮, আনোয়ারে মুহাম্মদীয়া, পৃষ্ঠা- ০৯; ফতওয়ায়ে হাদিসিয়া, পৃষ্ঠা-৫১]

        => হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত,
        হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, সৃষ্ট জীবের মধ্যে আমি সর্বপ্রথম নবী হিসাবে সৃষ্টি হয়েছি। কিন্তু আমি প্রেরিত হয়েছি (যমীনে প্রকাশ পেয়েছি) সব নবী আলাইহিমুস সালাম’দের শেষে।”
        [ তাফসীরে বাগবী ৫/২০২, দূররে মানছুর ৫/১৮৪, শেফা ১/৪৬৬, মানাহিলুচ্ছফা ৫/৩৬, কানযুল উম্মাল ৩১৯১৬, দায়লামী ৪৮৫০]

        => হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্নিত,
        নিশ্চয়ই হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা ইরশাদ করেন, হযরত জিব্রাইল আলাইহিস সালাম আমার নিকট আগমন করে বলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ! মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাকে এই বলে পাঠিয়েছেন যে, “আপনি যদি না হতেন তবে আমি(আল্লাহ) জান্নাত ও জাহান্নাম কিছুই সৃষ্টি করতাম না।”
        [কানযুল উম্মাল- হাদীস ৩২০২২, দায়লামী শরীফ]

        => অপর একটি হাদীস শরীফের মধ্যে আসছে,
        কোন এক সময় হযরত রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত জিব্রাঈল আলাইহিস সালাম এর নিকট জিজ্ঞাসা করলেন, হে ভাই জিব্রাইল! তোমার বয়স কত বৎসর হয়েছে ? হযরত জিব্রাইল আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরয করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার বয়স সম্পর্কে কিছুই বলতে পারিনা। তবে আমি আপনাকে আমার বয়স সম্পর্কে এতটুকু তথ্য জানাতে পারি যে, চতুর্থ আসমানে একটি উজ্জ্বল তারকা ছিল। ঐ তারকাটি সত্তর হাজার বৎসর পর পর আসমানে একবার উদয় হত। আমি তাকে সত্তর হাজার বার উদয় হতে দেখেছি। এখন চিন্তা করুন, আমার বয়স কত হতে পারে ! নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত জিব্রাইল আলাইহিস সালাম এর উত্তর শুনে ইরশাদ করলেন, হে ভাই জিব্রাঈল! আমি আমার পরওয়ার দেগারের নামে শপথ করে বলছি যে, উক্ত উজ্জ্বল তারকাটি আমি-ই ছিলাম।
        [তাফসিরে রুহুল বায়ান প্রথম খন্ড ৯৭৪ পৃষ্টা, ইমাম বুখারীর রহমাতুল্লাহি আলাইহি লিখিত তারিখ উল কাবির, ইমাম আন নুবানি রহমাতুল্লাহি আলাইহি এর জাওয়াহিরুল নিহার কিতাব দ্রষ্টব্য]
        সুতরাং, নূর সম্পর্কিত আরো অসংখ্য হাদীস শরীফ বিভিন্ন কিতাবে রয়েছে।পথহারা বাতিল ও বিদ’আতী সম্প্রদায় সরাসরি এসব সহিহ হাদিসকে একবাক্যে জাল বলে অস্বীকার করে।নূর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামা’র নূরকে অস্বীকার করার জন্যই মূলত তারা এসকল হাদীসকে মিথ্যা বলে আখ্যা দেয় করে।

        আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সহিহ আক্বিদা বুঝার এবং বাতিল আক্বিদাকে প্রত্যাখান করার তাওফিক দান করুন।আমিন,বিহুরমাতি সাইয়্যিদিল মুরসালিন।

        1. ধন্যবাদ ভাই, এই লেখাটি শেয়ার করার জন্য। আপনি ভালো করে পড়লে দেখবেন, সমর্থনে যত রেফারেন্স দেওয়া হয়েছে, তার কোনোটিই সাহিহ হাদিস বা সাহিহ মুসলিম থেকে নেওয়া হয়নি। সবগুলো রেফারেন্স এসেছে অন্যান্য আলেমের ব্যাক্ষ্যা থেকে, যেখানে তারা ব্যাক্ষ্যার সপক্ষে কোনো সাহিহ দালিল দেখাননি। বিভিন্ন তাফসিরের রেফারেন্স দেওয়া হয়েছে। কোনো একটা কথা কোনো তাফসিরে থাকলেই সেটা সাহিহ হয়ে যায় না। তাফসিরগুলোতে শুধুই লেখকের সংগ্রহ করা হাদিস রয়েছে, যার সবগুলো সাহিহ নয়। একইসাথে কোনো বইয়ে কোনো লেখা থাকা মানেই সেটা সাহিহ নয়। সেটা যেই বই হোক না কেন। সাহিহ হওয়ার শর্তগুলো পূরণ করত হবে।
          আর এখানে দুটো ব্যাপার রয়েছে – নবি (সা) নুর এর ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। এমনকি কুরআনেই বলা হয়েছে নবি মুসা (আ), নবি ঈসাকেও (আ) নুর দেওয়া হয়েছে। সুতরাং নবিরা (আ) যে নুর পেয়েছেন সে ব্যাপারে কুরআনেই প্রমাণ রয়েছে। যেই ব্যাপারটি আপত্তির এবং যার পক্ষে সাহিহ দলিল নেই, সেটা হচ্ছে – নবির (সা) নুর সৃষ্টি না হলে অন্য কোনো কিছুই সৃষ্টি হতো না। এই অংশটুকু নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। দুঃখজনক ভাবে নুরের সমর্থনে যারা কথা বলছেন, তারা এই দুটো ব্যাপার এক করে ফেলছেন। যারা ‘নুর সৃষ্টি না হলে অন্য কিছু সৃষ্টি হতো না’ একে ভুল বলছেন, তাদেরকে ‘নুর অস্বীকার’ করার মিথ্যা কালিমা দিচ্ছেন।

        2. মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক সম্পাদিত আসল কিতাবের ‘নূরের’ অধ্যায়ের মূল কপিটি বহু বছর পর বর্তমানে উদ্ধার করা হয়েছে। বলে যে দাবি করা হয় তা কত বড় মিথ্যা্ োও বানোয়াট নিচের লেখাটা পড়লেই পরিস্কার হবে।

          শাইখ কামাদানী ও ড. মাহমূদ সায়ীদ-এর বক্তব্য

          আলোচ্য ‘হারানো’ পুস্তকটির ৩-৪ পৃষ্ঠায় মিসরের নাগরিক ও আরব আমিরাতে অবস্থানকারী প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস ড. মাহমূদ সায়ীদ মামদূহ-এর একটি প্রশংসাপত্র বিদ্যমান। বস্ত্তত পুস্তকটির সম্পাদক শাইখ হিমইয়ারী তাঁর পান্ডুলিপি মাত্র দুজন আলিমকে দেখতে দেন: শাইখ আদীব কামাদানী ও ড. মাহমূদ সায়ীদ। শাইখ কামাদানী সিরিয়ার একজন মুহাদ্দিস ও পান্ডুলিপি বিশেষজ্ঞ। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই প্রদেশের ওয়াকফ মন্ত্রণালয়ে গবেষক হিসেবে তিনি কর্মরত ছিলেন। এ সময়ে শাইখ হিমইয়ারীও একই মন্ত্রণালয়ে কর্মরত ছিলেন ও উভয়ে বন্ধু ছিলেন। তিনি বলেন, শাইখ হিমইয়ারী মুসান্নাফ আব্দুর রায্যাকের কোনো পান্ডুলিপি থেকে নূর মুহাম্মাদী বিষয়টি প্রমাণ করতে অত্যন্ত অস্থির ছিলেন এবং সবাইকে বিষয়টি বলতেন। তাঁর এ অস্থিরতা দেখে ভারতের একজন ব্রেলবী পীর এ পান্ডুলিপিটি তাকে এনে দেন। পান্ডুলিটি পেয়ে হিমইয়ারী আনন্দ প্রকাশ করতে বিশাল মেজবানির আয়োজন করেন।
          হিমইয়ারী কামাদানী ও মাহমূদ সায়ীদকে পান্ডুলিপিটি দেখতে দেন। কামাদানী পান্ডুলিপির কাগজ, কালি ও লিখনপদ্ধতি দেখে প্রথম দৃষ্টিতেই এটিকে জাল বলেন। তিনি বলেন: পান্ডলিপিটির বয়স দুবছরের বেশি কখনোই হতে পারে না। কিন্তু হিমইয়ারী এটিকে জাল বলে মানতে কিছুতেই রাজি হন না। কামাদানী তাকে বলেন: আপনি দুবাইয়ের পান্ডুলিপি বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান জুমুআতুল মাজিদ কেন্দ্রে প্রেরণ করে এর বয়স, কাগজ, কালি ও লিখনির বিষয় যাচাই করুন এবং পান্ডুলিপির সংগ্রাহক কোথা থেকে তা অনুলিপি করেছে তা জানুন। হিমইয়ারী বলেন: পান্ডুলিপিটির সংগ্রাহক বলেছেন সোভিয়েট ইউনিয়নের একটি লাইব্রেরি থেকে তারা পান্ডুলিপিটির অনুলিপি করে এনেছেন, তবে মূল পান্ডুলিপিটি যুদ্ধে নষ্ট হয়ে গিয়েছে! মুসান্নাফ-এর অবশিষ্ট অংশের পান্ডুলিপি দেখাতে বললে তারা অপারগতা প্রকাশ করেন![মুহাম্মাদ যিয়াদ তুকলাহ মাউসূআতুর রাদ্দি আলস সুফিয়্যাহ (শামিলা ৩.৫) ১১০/৬-৭।

          দ্বিতীয় ব্যক্তি ড. মাহমূদ সায়ীদ মুহাম্মাদ মামদূহ প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস ও হাদীস গবেষক। তিনি পান্ডুলিপিটির সম্পাদক শাইখ হিমইয়ারীর মত সূফী আকীদার অনুসারী এবং সালাফীগণের বিরোধী। শাইখ আলবানী ও সালাফীগণের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান সুপরিচিত। আমরা দেখেছি তিনি এ ‘হারানো’ পুস্তকের প্রশংসাপত্র লিখেন। কিন্তু দু বছর পরে ২০০৭ সালে তিনি তাঁর প্রশংসাপত্র প্রত্যাহার করে এবং বইটির অনির্ভরযোগ্যতা বর্ণনা করে একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করেন। প্রবন্ধটির নাম (بيان من الشيخ محمود سعيد حول ما طبع باسم الجزء المفقود من مصنف عبد الرزاق) ‘মুসান্নাফ আব্দুর রায্যাকের হারানো অংশ নামে যা ছাপা হয়েছে তার বিষয়ে শাইখ মাহমূদ সায়ীদের বক্তব্য’।
          এ প্রবন্ধে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, আকীদা ও আমলে তিনি শাইখ হিমইয়ারীকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করেন ও ভালবাসেন। হিমইয়ারী তাঁকে যখন এ পান্ডুলিপিটি দেখান তখন তিনি দুটি কারণে এর বিশুদ্ধতার বিষয়ে সন্দেহ পোষণ করেন: (১) পান্ডুলিপিটির কাগজ এবং কালি নতুন এবং (২) পান্ডুলিপির উপর এর সনদ, শ্রবণ, মালিকানা ইত্যাদির তথ্য লেখা নেই। দুবাইয়ের জুমুআতুল মাজিদ কেন্দ্রে পান্ডুলিপিটি পাঠালে তারা বলে যে, পান্ডুলিপিটির বয়স সর্বোচ্চ ৫০ বা ৬০ বৎসর। হিমইয়ারী এ পুস্তকটি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেন এবং তাঁকে একটি প্রশংসাপত্র লিখে দিতে অনুরোধ করেন। তিনি পান্ডুলিপিটি পুরো না পড়ে, শুধু তার ভূমিকার উপর নির্ভর করে একটি প্রশংসাপত্র লিখেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তের মাধ্যমে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন যে, পান্ডুলিপিটি অনির্ভরযোগ্য। মুমিনের জন্য ভুলের পক্ষে হুজ্জতি না করে ভুল স্বীকার করে সত্যগ্রহণ উত্তম। এজন্য তিনি ‘মুসান্নাফ আব্দুর রায্যাক-এর প্রথম খন্ডের হারানো অংশ’ নামের পুস্তকটিতে তাঁর লেখা প্রশংসাপত্র প্রত্যাহার করলেন। এর সাথে তাঁর কোনো সম্পর্ক নেই।
          তিনি আরো বলেন যে, আলোচিত পুস্তকের বাতিলকৃত প্রশংসাপত্রে তিনি ‘নূর মুহাম্মাদী’ বিষয়ক হাদীসটির প্রসঙ্গ মোটেও উল্লেখ করেন নি। কারণ তাঁর উস্তাদ আহমাদ গুমারী, আব্দুল্লাহ গুমারী ও অন্যান্য প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস এ হাদীসটি জাল বলে নিশ্চিত করেছেন। একটি বইয়ের প্রশংসাপত্র লেখার জন্য বইটির মধ্যে বিদ্যমান সকল হাদীস বা জাল হাদীসের বিষয় ব্যাখ্যা করা প্রয়োজনীয় বলে তিনি মনে করেন নি। এজন্যই তিনি উক্ত প্রশংসাপত্রে হাদীসটির জালিয়াতির প্রসঙ্গ আলোচনা করেন নি।
          বিস্তারিত আলোচনার পর তিনি লিখেন: ‘‘মোট কথা ‘মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাকের প্রথম খন্ডের হারানো অংশ’ নামে প্রকাশিত বইটি একেবারেই অনির্ভরযোগ্য। এ বইটির রেফারেন্স দেওয়া বা অনুবাদ করা যাবে না।’’ ড. মাহমূদ সায়ীদ, আল-ইত্তিজাহাতল হাদীসিয়্যাহ ফিল কারনির রাবিয় আশারা (কাইরো, দারুল বাসায়ির, ১৪৩০/২০০৯), পৃষ্ঠা ৭২৭-১৩০।

  3. “আমরা কখনই নবীর (সা) কোন গুণ বা অবদানের দোহাই দিয়ে আল্লাহর কাছে কিছু চাইতে পারবো না। ”

    দয়া করে আহকামে জিন্দেগী (মাওলানা মুহঃ হেমায়েত উদ্দীন) বই এর ১৫২ পৃষ্ঠাতে
    (চ) চাওয়ার আদব সমূহঃ তে ৬ নং পয়েন্ট টা দেখেন।

    1. বইটা আমার কাছে নেই। আপনি কি তার কথা গুলো এখানে দিতে পারেন?
      তিনি কি সালাফি, নাকি হানাফি, নাকি সুফি?
      বিভিন্ন মতের মানুষরা বিভিন্ন জিনিস দাবি করে। আমি এখানে যা বলেছি সেটা আহলে সুন্নাহ আল জামাহ এর মত।

  4. Bhaiya kemon asen? corom ekta likha likhsen.. Allah apnake onek jaza din.. amake cinsen? USTC er Mizan onek question and chat korsi in gTalk ek somoi

  5. তিনি কোন মাযহাবের এটা জানিনা।

    অই বইতে লিখা আছে “আম্বিয়ায়ে কেরাম এবং অন্যান্য নেককার ও বুযুগদের অছীলায় দুয়া কবূল হওয়ার প্রার্থনা করা”

    1. রাসুল (সাঃ) থেকে শত শত সহীহ হাদিসে চমৎকার সব দুয়ার টেক্সট বর্ণিত হয়েছে, এবং এর অনেকগুলো সাহাবিদেরকে তিনি বিশেষ জোর দিয়ে শিখিয়েছেন। কিন্তু এর একটাতেও কোন নবীর (including himself) অসীলা দেয়ার কথা পাওয়া যায়না। বিশেষ করে লক্ষ করুন দরুদের ব্যাপারটাঃ দরুদে ইব্রাহীমী যেটা আমরা সালাতে পডে থাকি এবং সুন্নাহ থেকে প্রমাণিত সেখানে আমরা প্রার্থনা করি যেন ইব্রাহীম (আঃ) ও তার বংশধরদের ঊপর আল্লাহর পক্ষ থেকে যেমন শান্তি ও নিরাপত্তা তেমনটা রাসুল (সাঃ) ও তার বংশধরদের জন্যও আল্লাহ দেন। অথচ কোন দোয়াতে রাসুল (সাঃ) নিজে করেননি বা সাহাবিদেরকে শিখাননি যেন আমরা বলি যে ইব্রাহিম (আঃ) বা রাসুম (সাঃ) এর অসীলায় কিছু আল্লাহ দেন। সাহাবীদের প্র্যাকটিস থেকে কি একটিও নির্ভরযোগ্য বর্ণনা আছে যেখানে তারা রাসুল (সাঃ) এর অসীলায় কিছু চেয়েছেন আল্লাহর কাছে? আল্লাহর দ্বীনকে রাসুল(সাঃ) পুরোপুরিই শিখিয়ে গিয়েছেন, কোন দ্বীনী কল্যান শেখাতে বাকি রাখেননি; কাজেই নতুন কোন ইবাদাতের পন্থা যা রাসুল(সাঃ) করেননি ও সাহাবিদেরকে শেখাননি তা আজকে অনুসরনীয় হতে পারে না। [Allah’s Messenger (sallallaahu ‘alayhi wa sallam) is reported to have said: “I have not left anything that will bring you close to Allaah, except that I have commanded you with it, and I have not left anything that will distance you from Allaah and bring you close to the Fire, except that I have forbidden you from it.” (Related in the Sunan of Imaam ash-Shaafi’ee (1/14), and by al-Bayhaqee (7/76), and by al-Khateeb in al-Faqeeh wal-Mutafaqqih (1/93)) Also, Abû Dharr – radiallâhu ’anhu – said: “The Messenger was taken in death, and there was not a bird which spread its wings, except that he mentioned to us some knowledge about it.” (Related by Ahmad(5/153), at-Tiyâlasî (no.479) and at-Tabarânî in al-Kabîr (no.1647) with a sahîh isnâd).]

      Jazhaakum Allahu Khairan

  6. “সুদ খাওয়ার ৭০ পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা আছে, এর মধ্যে আল্লাহর দৃষ্টিতে সবচেয়ে ছোট অপরাধ হচ্ছে মায়ের সাথে ব্যভিচার করা।”

    Al-Tirmidhi Hadith 2826 Narrated byAbuHurayrah Allah’s Messenger (peace be upon him) said, “Usury has seventy parts, the least important being that a man should marry his mother.” Ibn Majah and Bayhaqi, transmitted it in Shu’ab al-Iman.

    vaia,
    assalamu alaikum

    This hadith is described in sahih tirmidi,
    please clear this is “ZAL” OR “DAIF”

    zazakallah

    1. তিরমিযিতে এটি একটি হাসান হাদিস হিসেবে আছে, সাহিহ নয়। দেখুনঃ http://sunnah.com/urn/1265920

      তবে, এই হাদিসটির ব্যাপারে যথেষ্ট দ্বিমত রয়েছে। এর জন্য আপনি আবু ইসা নিয়ামাতুল্লাহের আর্টিকেলটি পড়তে পারেনঃ
      http://iqtisad.blogspot.com/2006/03/use-of-certain-weak-hadth-in-promoting.html

  7. চমৎকার লেখা। অনেক ভালো লাগল। যাযাকাল্লাহু খাইরান।

  8. সালাম আলাইকুম
    আপনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সংগ্রহযোগ্য বইটির কথা (http://goo.gl/G7zAY) বলতে ভুলে গেছেন!

    1. Nasiruddin Albani did wrong about some Ahadith. the above link is the proof of his wrong work about some Hadith.

      1. Yes, indeed he made some mistakes. Nobody is infallible. But are the fake hadiths shown in my article proven to be mistake on Albani’s work?

  9. ei writer ak bodkar munafek, allah shakkhi… jotoshob vranto bekkha al nijei jaal hadis niye hazir hoye manush ke bivranto korche

    1. Instead of making baseless assumptions, first define what “bodkar munafek” is with reference from Quran and Saheeh Hadeeth and then explain how I meet that definition with clear proof. Otherwise on the day of judgement I am going to ask Allaah to punish you on the ground of defamation.

      1. so remember the judgement day… albani was a sucker bitch, he renewed bukhari sharif without around 3000 sohih hadis… and you said he was scholar…how lol … try to gain the actual knowledge of islam and find the path of awliyaye keram ahle bayet of RASULULLAH (SM), not wahabi, deobandi , salafi, tabligi or ahle hadis like these bullshits way……….MAY ALLAH BLESS YOU.

        1. You have deflected the questions I have posed because of your inability to offer any authentic response and came up with another set of baseless statments with no reference to any scholarly work. Even more important issue is your choice of words for another fellow Muslim, which disqualifies your Imaan:

          “A believer is not a defamer nor a curser nor coarse nor obscene.” [Bukhari, Adab Al-Mufrad XV, #312]

          You have bigger problems in you to worry about than arguing here. So, I will follow the commandment of Allaah:

          The servants of the Lord of Mercy are those who walk humbly on the earth, and who, when the foolish address them, reply, ‘Peace’; [25:63]

          Peace.

    2. i dont think so..he has provided reference in sum cases and supplementary articles to judge by readers themselves where dobts are present …he s not making any statements too..so pls wise up urself brother and do provide support of literature if u have any different opinion…remember disscussion is beter than debat

  10. Assalamualaikum

    apnar kase ki Bukhari Shorif er Bangla version kono PDF ase , jeta shothik ebong Shuddho .

    Jodi thake , amake kindly diben asha kori .

    Bukhari Shorif ki oju sara obosthay porle kono problem hobe ? jodi ami Bus e , rastay thaka obosthay pori ?

    Dhonnobad

    1. You can download the PDF from here:
      http://www.quraneralo.com/bukhari/

      You can read anything without wudhu, even Quran. See this lecture:
      http://www.youtube.com/watch?v=LTCvZBRllMo
      http://www.youtube.com/watch?v=gcs1dIheI5s

      But there are other views about touching Quran without wudhu:
      http://www.youtube.com/watch?v=v2EnxI9yHeY

      I prefer to follow the first method, where touching Quran without wudhu is allowed, but discouraged.

      There’s no requirement for wudhu for any other book besides Quran, that I have ever come across.

  11. সত্যি ভাল লাগল আপনার আর্টিকেলটা। আমিও আপনার মত। সাধারণ একজন মুসলিম। শেখার ও জানার চেষ্টা করছি। সময় ও সুযোগ পেলে আমার সাইটটা ‘PYTHEYA’ একটু ঘুরে দেখবেন, যদি কোথাও ভুল দেখেন জানাবেন। খুশী হব।

    1. I have read the document. I can see that there’s not a single Saheeh hadeeth shown to unambigously show milad has been performed by the Sahaba or Prophet (ﷺ) himself has prescribed/commanded us to do milad. I can see some hadeeth and Quran’s verses have been shown to justify the practice. But those hadeeth and Quran’s verses are not about milad, they are about general instruction. If we follow the same approach of finding any general command from hadeeth and Quran’s verses to innovate formal rituals, we can come up with many such formal rituals. For example, I can come up with a special form of Ibaadah that you can perform in your bathroom:
      1) Every morning, while in the Bathroom, people should praise Allaah (ﷻ) and say “Allaahu Akbar” while rinsing mouth.
      2) Then everytime you wash your face, praise the Prophet (ﷺ), saying Durud on him, out of love and clean fealing after washing your face.
      Let’s call is “Bathroom Milad”. According to the evidence and logic shown in the article above, you can easily justify this “Bathroom Milad”. Just take that document, replace “Milad” with “Bathroom Milad” and you will come up with a long and apprently authentic support of this “Bathroom Milad”.

      Here are some lectures and articles against the Mawlid concept:
      http://www.youtube.com/watch?v=PL0j3RYhVXw
      http://www.fatwa.org.au/barelwi-beliefs.html
      http://www.fatwa.org.au/milad-in-chakwal.html
      http://islamqa.org/hanafi/mufti-online/21615
      http://islamqa.info/en/ref/249/mawlid
      https://www.facebook.com/notes/al-quran-al-hadeeth-verses/ruling-on-celebrating-prophets-birthday-eid-milad-un-nabi/199398146740715

  12. হযরত আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রতিটি বস্তুরই অন্তর আছে। কুরআনের অন্তর হল সূরা ইয়াসীন। যে ব্যক্তি সূরা ইয়াসীন পাঠ করবে আল্লাহ তায়া’লা তার এ পাঠের বিনিময়ে দশ বার কুরআন পাঠ করার সমতুল্য সওয়াব নির্ধারণ করবেন।

    {তিরমিযী-২৮৮৭}

    1. এই আর্টিকেলটি দেখুন—
      http://www.irfi.org/articles/articles_251_300/52_weak_ahadith.htm

      “For everything there is a heart, and for the Qur’an this is Surah Ya Sin and who reads it, it is as if he has read the Qur’an ten times.” Fabricated No.169″

      তারপর এই বইটির ৮৯ পৃষ্ঠা দেখুন—
      http://www.kalamullah.com/Books/100%20Fabricated%20Hadith.pdf

      1. প্রথম জাল হাদীস রচনা করে কারা? শিয়া/ মুতাযিলা/খারেজী/কাদেরিয়ারা

  13. আলবানী সাহেবের নিজস্ব ওযেব সাই্টে তার ছাত্রদের লেখা বই পিডি এফে দেয়া আছে। একটু কষ্ট করে পড়তে হবে। একটা বই, যেখানে তার ছাত্র এমন পাচ শ হাদীস এনেছেন যেখানে আলবানী সাহেব কোন হাদীসকে পূর্বে সহীহ, পরে যয়ীফ বলেছেন। এক কিতাবে যয়ীফ, পরে অন্য কিতাবে সহীহ বলেছে।

    আরেকটা কিতাবে তার ছাত্র এধরণের ৩০০ শ হাদীস নিয়ে আলোচনা করেছেন।

    শায়খ সাইদ আল মামদুহ ছয় খন্ডের একটা কিতাব লিখেছেন। আত-তারীফ বিআউহামি মান কাসসামাস সুনান ইলা সহীহ ও যয়ীফ, এই কিতাবে এমন আট শ হাদীস নিয়ে আলোচনা করেছেন যেখানে আলবানী সাহেব ভুল করেছেন।

    হাসান বিন আলি আস সাক্কাফ, তিন খন্ডে কিতাব লিখেছেন। কিতাবের নাম, তানাকুযাতুল আলবানী আল ওয়াজিহাত। এখানে তিনি বলেছেন, আলবানী সাহেবের ১০০০০ স্ববিরোধী বক্তব্য তথা এক কিতাবে এক হাদীস সহীহ অন্য কিতাবে যয়ীফ, অথবা এক কিতাবের এক রাবীকে সহীহ অন্য কিতাবে যয়ীফ, এজাতীয় স্ববিরোধীতা পেয়েছেন। তিনি তিন খন্ড পর্যন্ত ১৩০০ স্ববিরোধী বক্তব্য নাম্বার দিযে আলোচনা করেছেন।

    1. মি: জাবির আপনি এই কমেন্ট সম্পর্কে কোন মন্তব্য করছেনা কেন বুঝতে পারলাম না । আপনারা আলবানী ও তাইমিয়ার মতকে বেশী প্রধান্য দেন । হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে মুহাদ্দিস সাহেবের যদি এত গন্ডগোল হয় তাহলে সেই মুহাদ্দিসের গুরত্ব কতটুকু থাকে তাতো আপনি বুঝতে পারছেন । এক জায়গায় বলতেছে সহিহ আবার অন্য জায়গায় বলতে যয়ীফ যদি এটা সত্যিই হয় তাহলে সে মুহাদ্দিসকে আমাদের সকলের বয়কট করা উছিত। তার রেফারেন্স নিশ্চিত ভাবে ফিতনার সৃস্টি করবে। আপনি বিষয়টি তদারকি পূবর্ক জানালে খুশি হব। কারণ আপনি তারঁ গ্রন্ত্র থেকে রেফারেন্স দিয়েছেন । রেফারেন্সগুলোর নির্ভরযোগ্যতা যাছাই করা দরকার।

    1. ওনার ভিডিওটা আসলে বলছে যে, “সবচেয়ে বড় জিহাদ” একেক জনের জন্য একেকটা। কারও জন্য হাজ্জ, কারও জন্য বৃদ্ধ বাবা-মার দেখাশোনা, কারও জন্য অত্যাচার সহ্য করে চুপ করে থাকা ইত্যাদি।
      আমার মনে হয় কু’রআনের পরিষ্কার আয়াত থাকার পরে এনিয়ে বিতর্কে যাওয়াটা উচিত হবে না।
      আর তাছাড়া যেহেতু দুজন হাদিস বিশারদ এই ব্যাপারে মত দিয়েছেন, তাদের মত আরও বেশি গুরুত্ব পাওয়া উচিত। পরে জাকির নায়েক তার অবস্থান পরিবর্তন করেছেন কি না, সেটাও জানা নেই।

  14. but brother that doesn’t make it false hadith, does it? according to him it’s one type of best jihaad. and about which verse (পরিষ্কার আয়াত )are u talking about please let me know.
    পরে হাদিস বিশারদ দুজন তাদের মত পরিবর্তন করেছিলেন কি না, সেটা কি জানা গেছে /

    1. আমি এই আয়াতের কথা বলছিলাম—

      শারীরিকভাবে অক্ষম ছাড়া যে সব বিশ্বাসীরা ঘরে বসে থাকে, তারা কোনোভাবেই তাদের সমান নয়, যারা নিজেদের জান এবং সম্পদ দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করে। যারা ঘরে বসে থাকে, তাদের থেকে মুজাহিদদের পদমর্যাদা আল্লাহ বাড়িয়ে দিয়েছেন। যদিও তিনি সকল বিশ্বাসীদেরকেই সুন্দর প্রতিদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কিন্তু যারা ঘরে বসে থাকে তাদের থেকে মুজাহিদদেরকে আল্লাহ অকল্পনীয় বেশি প্রতিদান দেন। (৪:৯৫)

      এখানে আল্লাহ পরিষ্কার করে বলে দিয়েছেন, যারা নিজের জান এবং সম্পদ দিয়ে জিহাদ করে, তাদের প্রতিদান সবচেয়ে বেশি।

      ইবন তাইমিয়া এবং ইবন বাআয উভয়ে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেছেন, এমন কোনো দলিল আমি পাইনি। তাদের অবস্থানের প্রতিবাদ করেও কোনো স্কলারকে আমি কিছু বলতে এখনও দেখিনি। সবচেয়ে ভালো হয় যদি কোনো মুহাদ্দিসের সাথে আলোচনা করেন, যে তার কাছে কোনো প্রমাণ আছে কি না ইবন তাইমিয়ার এবং ইবন বাআহ এর বিরুদ্ধে।

  15. “Beware! Whoever is cruel and hard on a non-Muslim minority, curtails their rights, burdens them with more than they can bear, or takes anything from them against their free will; I (Prophet Muhammad) will complain against the person on the Day of Judgment.” (Abu Dawud). I found it in so many articals by googling but no reference.Please help to identify it.

  16. জাবির ভাই,একটু অন্য প্রসঙ্গে আসি । নেকাবের ব্যপারে আপনি কি কখনও কিছু লিখেছেন বা লিখবেন?এতদিন জানতাম বেশিরভাগ ইসলামী স্কলার নারীদের মুখ দেখানো জায়েজ বলেই মানেন ।নেকাব সুন্নত ।অথচ ইদানিং দেখতে পাচ্ছি কিছু মানুষ নারীদের রীতিমতো ‘একচক্ষু সাইক্লপস’ বানিয়ে রাখার পক্ষে লেখালেখি করছেন ।তাদের রেফারেন্স হিসেবে প্রথমেই আসে তাফসির ইবনে কাসির এবং অন্যান্য কিছু হাদিস ।এই ব্যপারে আপনার কাছে কোন মতটার স্বপক্ষে প্রমান অপেক্ষাকৃ্তভাবে জোরালো মনে হয়?

    1. তাদের মতের পক্ষে কোনো কু’রআনের আয়াত বা সাহিহ হাদিস আছে?

      1. তাদের রেফারেন্স মূলত এইখানে উল্লেখিত হাদিসগুলো ।http://www.alkawsar.com/article/442 ।দেওবন্দিদের মধ্যে এই ভিউ প্রকট ।

        1. তাদের আর্টিকেলে নেকাবের পক্ষে কোনো সাহিহ হাদিস পেলাম না। ফাতেহুল বারী সহ নানা ধরনের বইয়ের রেফারেন্স দেওয়া আছে। কিন্তু সেই বইগুলোর হাদিসগুলো সাহিহ, হাসান, দায়িফ না মাওদু সেটা বলা নেই।

          এই লেকচারটি দেখতে পারেন, যেটা আমার কাছে অনেক সুন্দর ব্যাখ্যা মনে হয়েছে—
          http://www.youtube.com/watch?v=N_FvxdngfgY

          নিকাবের বিপক্ষে একটি আর্টিকেল—
          http://www.islamawareness.net/Hijab/Niqab/not_required_2.html

          তবে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে দেখলাম অনেক স্কলার নেকাব পড়াকে বাধ্যতামূলক বলেছেন এবং বেশ শক্ত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। যেমন—
          http://www.islam-qa.com/en/21134
          http://islamqa.info/en/ref/11774

          1. হুম ,ইসলাম কিউ এ ওয়েবসাইটটা নেকাব ফরজ হবার পক্ষে শক্তভাবে অবস্থান করে আমি আগেও দেখেছি ।’জুয়ুবিহিনা’ শব্দের অর্থর মধ্যে তারা ‘মুখ’ কেন অন্তর্ভুক্ত করেন তা আমার কাছে আজও বোধগম্য নয় ।ধন্যবাদ ।আরেকটা কথা ভাই,যেসব কোরান ওনলিরা কুরানে নারীদের মাথা ঢাকা ফরজ করা হয়নি বলে যে মত দেয় তাদের প্রতি আপনার জবাব কী?আপনার অন্যন্য লেখা পড়ে জেনেছি আপনি এই মতবাদে বিশ্বাসী নন । এজন্যই জানতে চাইলাম ।এই আর্টিকেলের রেফারেন্স হিসেবে আপনি ইব্রাহিম বি সৈয়দের একটি আর্টিকেল নিয়েছেন দেখলাম ।উল্লেখ্য,উনার অবস্থানও মাথা ঢাকা ফরজ না হওয়ার পক্ষে ।

          2. আপনি ডঃ মুহাম্মাদ সালাহ এর ইউটিউব লেকচারটি দেখুন। আমার মনে হয় সেটি আপনাকে সাহায্য করবে।

  17. ডক্টর সালাহের যেই ভিডিওটার লিঙ্ক আপনি আগের উত্তরে দিয়েছিলেন সেটি দেখেছি ।ইউটিউবে দেখলাম উনার আরও কিছু লেকচার আছে হিজাব ইস্যুতে ।সময় করে সেগুলোও দেখে নেওয়া যাবে ।ধন্যবাদ ।

  18. I have a great doubt about your mentioned names by whom some of the Hadiths are proved false. May be there is a limitation of my knowledge that I have never heard those people name any where. May be they are the same kind followers of a group.

    1. Please read the books mentioned in the reference list at the end of the article. That should eliminate the doubts – إن شاء الله. The name of the muhaddiths are very well known. Wikipedia has details on them.

  19. উমর আল জাবির আপনি উসিলা নিয়ে যে কটাক্ষ করেছেন , তা আপনার বাতিল আক্বিদা প্রমান করে । এই বিতর্কের প্রথম জম্ন দিয়েছে ইবনে তাইমিয়া যার মূলত দালালি আপনি করেছেন ।একটি হাদিস আমি আপনার এবং সরল মনা মুসলিম ভাই-বোনদের সামনে পেশ করছি । ০১। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রা:) এক মজলিসে হাদিসের দরস দিচ্ছিলেন , হঠাত করে তার পাদ্বয় অবশ হয়ে গেল তার এ অবস্থা দেখে মজলিসের মাঝখান থেকে বলে উটলেন আপনি আপনার সবচেয়ে প্রিয় জনের নাম ধরে ডাক দিন তিনি সাথে সাথে ডাক দিলেন ইয়া মুহাম্মদ ,ইয়া মুহাম্মদ মুহুর্তের মধ্যেই তিনি সুস্থ হয়ে গেলেন । ভাল করে চোখ খুলে দেখবেন এই কিতাব খানা ………..(ইমাম বুখারি : আল-আদাবুল -মুফরাদ ০২। মুসলমানরা যখন ইয়ামামার যুদ্ধে কঠির পরিস্থিতির সম্মুখিন হয়ে ছিল তখন তাদের সেনাপতি খালেদ বিন উয়ালিদ তাদের পূর্বের নির্দশন দ্ধারা ডাক দিলেন সেই নির্দশন ছিল ইয়া মুহাম্মদ (সা:) , ইয়া মুহাম্মদ (সা:) দেখুন আপনাদের ইমাম সাহেবেন লিখিত কিতাব বিখ্যাত গ্রন্ত্রকার বিখ্যাত তাফসির কারক ইবনে কাসির : আল-বেদায়া ওয়ান নেহায়া ০৩। হযরত ইবনে আব্বাস (রা:) সামনে এক ব্যাক্তি খাটা দ্ধারা আঘাত প্রাপ্ত হল আব্বাস (রা:) তাকে শিকিয়ে দিলেন ইয়া মুহাম্মদ (সা:) , ইয়া মুহাম্মদ (সা:) বলার জন্য এই লোকটি তাই করল সাথে সাথে ভাল হয়ে গেল : মুসলিম শরিফের ভাষ্যকার ইমাম নব্বী: কিতাবুল আযকার ।

    1. ভাই, হাদিসগুলোর রেফারেন্স দেবেন যেখান থেকে আমি দেখতে পারি এগুলো সাহিহ কিনা এবং কে সাহিহ প্রমাণ করেছেন? অনুগ্রহ করে sunnah.com থেকে রেফারেন্স দিন যাতে আমরা সবাই গিয়ে দেখতে পারি এই হাদিসগুলো আসলে কী ধরনের হাদিস।

      আর আপনি বললেন আমি ইমাম তাইমিয়ার দালালি করছি, আমার আক্বিদা ভুল ইত্যাদি। কথাগুলো এই সাইটে থাকল এবং আল্লাহ সাক্ষী থাকলেন। কিয়ামতের দিন দেখা হবে ভাই। আপনি যা বললেন সেটা যদি ঠিক না হয়, আমাকে কুফরির অভিযোগ করার জন্য আপনার কী হবে বুঝতেই পারছেন। চলুন আমরা বিচার আল্লাহর হাতে ছেড়ে দেই। এ ব্যাপারে আমি কোনো তর্ক করার প্রয়োজন দেখছি না।

      1. আপনি এ বিষয়ে যদি বিস্তারিত জানতে চান তাহলে পাকিস্তানি লিখক শায়খুল হাদিস ডক্টর মুহাম্মদ তাহেরুল কাদেরীর বিখ্যাত গ্রন্ত্র আক্বিদায়ে তাওয়াসসুল এবং মুহাদ্দিসিনেকেরামের দৃস্টিতে ওসিলার বৈধতা নামক কিতাব দুটি দেখুন যথেস্ট রেফারেন্স পাবেন । কিতাব দুটি বাংলা অনুবাদ করেছেন সনজরী পাবলিকেশন্স, আন্দরকিল্লা , চট্টগ্রাম

  20. Omar Faruk হযরত ইমাম দারমী (র:) হযরত আবুল জাউযা আউস ইবনে আবদুল্লাহ (রা:) হতে সহীহ সনদে বর্ণনা করেন যে, একবার মদীনা বাসীরা এক বিরাট খড়াকে পতিত হল কোন বৃস্টি পাত হচ্ছিল না । তারা সকলে উম্মেহাতুন মুমেনীন হযরত মা আয়েশা সিদ্দিকা (রা:) কাছে অভিযোগ করলেন । মা আয়েশা সিদ্দিকা বললেন , আপনারা রাসুল (সা:) এর রউজা শরীফে যান মাযার শরীফের ছাদ খানা এমন ভাবে খুলে দেন যাতে আসমান এবং রউজা শরীফের মাঝে কোন পর্দা না থাকে । তারা তাই করল সাথে সাথে অনেক বৃস্টি পাত হল। এমনকি ভাল ফসল জন্মাল এবঙ উটগুলো এত বেশী মোটা তাজা হল যে, মনে হচ্ছিল যেন চর্বির কারণে ফেটে যাবে। সেই বছরের নামই হল‍‌ ‍ ( আম- উল-ফতক) অধিক ফসল উৎপাদনের বছর : যারা এই হাদ্দিস নিজেদের হাদিস গ্রন্ত্রে বর্ননা করেছেন ০১। ইমাম দারমী : আস-সুনান ০২। ইবনে জউযী : আল উয়াফা বিল আহয়ালিল মোস্তফা ৩।ইমাম কুসতুলানী : আল মাউয়াহিবে লাদুনিয়া ৪। ইমাম যুরকানী : শরহু মাউয়াহিবু লাদুনিয়া

    1. সাহিহ সনদ মানেই হাদিসটি সাহিহ নয় যার উপর আমল করা যাবে। এর মাতন গ্রহণযোগ্য হতে হবে, মুফাসসিররা এনিয়ে কী ইজমায় পৌঁছেছেন তা দেখতে হবে। অনুগ্রহ করে হাদিসটি sunnah.com থেকে রেফারেন্স দেবেন যাতে করে আমরা সবাই গিয়ে দেখতে পারি হাদিসটি কী প্রকারের?

      1. সাহিহ সনদ মানে সহিহ নয় এই কথাটি আপনি কোত্তেকে বললেন, আপনি বিভিন্ন সহি রেওয়াত বর্ণনার পর মুহাদ্দিসিনিকেরামগণ উল্লেখ করেন যে, হাদিস সহিহ প্রমানের জন্য সহিহ সনদের কোন বিকল্প নেই। সনদের বিশুদ্ধতা না থাকলে হাদিস কোন পর্যাযের এটা কেমনে প্রমাণিত হবে।

  21. উমর আল জাবির আপনি উসিলা নিয়ে যে হারাম ফতোয়া প্রদান করলেন তার যথাযত তথ্য প্রমান উপস্থাপন করবেন । প্রথমে আপনি হাদিস পেশ করবেন হাদিস গ্রন্তের নামসহ , তারপর হাদিসের ব্যাপারে কোন কোন মুহাদ্দিস কি কি ধরনের মতামত পেশ করেছেন এ গুলো সহ মুহাদ্দিস গণের লিখিত কিতাবের নামসহ পেশ করবেন। উসিলার বিপক্ষের কোন কোন মুহাদ্দিস অবস্থান নিয়েছেন তাদের নামও কিতাবের নাম উল্লখ করেবেন । পক্ষে যারা অবস্তান নিয়েছেন তাদের নাম ও কিতাব সহ উল্লেখ করবেন।ইজমার ক্ষেত্রে কোন পক্ষের নির্ভরযোগ্য মুহাদ্দিস আলেমদের সংখ্যা বেশী তাও উল্লেথ করবেন তাতে আমাদের বুঝতে সুবিধা হবে। তারপর উভয় পক্ষের দলিলাদি সাধারণ মানুষেরা যাচাই করে সঠিক আক্বিদা পোষন করতে পারবে। বাংলায় কোন ওয়েবসাইঠে সেগুলো পাওয়া যাবে তাও দিলে আরো বেশি ভাল হয় আশা করি আপনি আমাদেরকে সে তথ্যগুলো পেশ করবেন । আর কে হক কে না হক পন্থি তা কেয়ামতের ময়দানে ফয়সালা হবে।

    1. আর্টিকেলটির শেষে কয়েকটি বইয়ের রেফারেন্স দেওয়া আছে ভাই। একটু কষ্ট করে বইগুলো পড়ে দেখুন। সেখানে হাদিসগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা আছে। এই আর্টিকেলে সংক্ষিপ্ত পরিসরে সাধারণের উপযোগী করে যেটুকু লেখা প্রয়োজন, সেটুকুই লেখা হয়েছে। এর বেশি যারা গবেষণা করতে চান, তারা বইগুলো পড়ে দেখবেন। আমি কোনো মুফাসসির নই, শুধুই একজন অনুবাদক এবং ছাত্র। আপনি আমাকে অভিযোগ না করে বরং যেই লেখকদের কাজ আমি অনুবাদ করেছি, তাদেরকে সরাসরি অভিযোগ করুন। যদি বইগুলো থেকে অনুবাদে বা সঠিকভাবে সংগ্রহে ভুল করে থাকি, তবে অবশ্যই জানাবেন, সংশোধন করে দেব। আর ইবন তাইমিয়া, আলবানিকে আপনি যদি ভুল মনে করেন, তাহলে ভাই তাদের সাথেই ফয়সালা করুন।

      এর বেশি আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন দেখছি না। আমার পক্ষ থেকে সালাম দিয়ে এখানেই ইতি টানছি।

      সালামুন।

  22. জাবির ভাই আপনি রাগ করলেন নাকি ,ভাই আমাকে এভাবে বিদায় দিয়ে দিলেন । দু:খিত ভাই ।আমি আপনাকে এভাবে হিট করে কিছু বলতে চায়নি আপনি উসিলার বিষয়ে খুব কঠিন কথা বলে ফেলেছেন তাই বাধ্য হয়ে আমি আপনাকে এই রকম কমেন্ট করেছি। আমার কাছে উসিলার বিষয়ে মোটামোটি অনেক গুলো হাদিস এবং কোরআন তাফসিকারকদের নিজ নিজ গ্রন্ত্রে রাসুল (সা:) আগমনের পূর্বে ও পরে উসিলা নেওয়ার রেওয়াত আছে । তাই এ ব্যাপারে আপনার সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার আশা করছি । তথ্য প্রমানের ভিত্তিতে যার আক্বিদা সঠিক হয় আমরা সেটা মানব তাতে অসুবিধা কি। আমি একটা একটা সব আপনি এবং সকল ভাইদের জন্য পোস্ট করব।

    1. শাফাআতের ব্যাপারে আমি যা কিছু লিখেছি, সেগুলো আহলে সুনাহ ওয়া আল জামাহ এর অবস্থান। সেটা সূফীদের অবস্থান নয় এবং আমি এখনও সূফীবাদকে সঠিক মনে করি না। হতে পারে পরে কোনোদিন আমার অবস্থান পরিবর্তন হতে পারে, তবে এখন নয়।
      আপনাকে অনুরোধ করব এই আর্টিকেলটি পড়ার, যেখানে শাফাআত সম্পর্কে ভুল ধারণা পরিষ্কার করার চেষ্টা করা হয়েছে—
      http://quranerkotha.com/baqarah-47-48/

      বিস্তারিত জানতে এই ফাতয়াটি দেখুন, আপনার যত রেফারেন্স দরকার সব পেয়ে যাবেন—
      http://islamqa.info/en/21672

      আমি আপনাকে অনুরোধ করব ইসলামিক স্টাডিজে ব্যাচেলেরস বা অন্তত একটি ডিপ্লোমা করার। যেমন আপনি ইসলামিক অনলাইন ইউনিভারসিটি থেকে বিনামূল্যে ডিপ্লোমা করতে পারেন। আপনি শাফাআত সম্পর্কে যে ভুল ধারণাটি প্রচার করছেন, তা বিস্তারিত ভাবে একদম প্রথম কোর্সেই আলোচনা করা হয়েছে। তাওয়াসসুল এর যে সব ভ্রান্ত ধারণা আছে আহলে সুন্নাহ ওয়া আল জামাহ-এর শিক্ষা অনুসারে, তা আপনি প্রথম কোর্সেই পাবেন। এছাড়া আক্বিদার উপর আরও দুটো কোর্স রয়েছে, যেখানে আরও শক্ত ভাবে ব্যাপারটা পরিষ্কার করা হয়েছে। ইন শাআ আল্লাহ, আপনি উম্মুক্ত মন নিয়ে সেই কোর্সগুলো করে পরীক্ষা দিয়ে পাশ করলে আপনার শাফাআতের ধারণা পরিষ্কার হয়ে যাবে।

      আপনাকে আমি আগেও অনুরোধ করেছিলাম, আবারও করলাম, আমি এই ব্যাপারে আর মন্তব্য করব না কারণ আমাদের মধ্যে যথেষ্ট আদান-প্রদান হয়েছে। এখন আমাদের দুই পক্ষেরই সময় নিয়ে বসে পড়াশুনা এবং চিন্তা করা উচিত। আমি করছি। আপনাকে অনুরোধ করব করার। সবর এবং হায়া বজায় রাখার বিনীত অনুরোধ করছি।

      সালামুন।

  23. May 18, 2014 at 11:30 am

    জাবির ভাই আপনার নিকট আমার একটি প্রশ্ন : কেয়ামতের ময়দানে আম্বিয়ায়েকেরামগণ ,শহীদ গণ ,সাহাবী গণ , আল্লাহর প্রিয় বান্দা তথা ওলি গণ , মুমিনগণ কি মুসলমান জাহান্নামীদের জন্য শাফায়াত করতে পারবে। জানালে খুশি হব।

    1. তানভীরুল মিকবাস তাফসিরে ইবনে আব্বাস নামক কিতাবে , হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা:) হতে বর্ণিত আছে যে, হযরত মুহাম্মদ (সা:) প্রেরিত ও কুরআন মাজীদ অবতীর্ন হবার পূর্বে নিজেদের শত্রু আসাদ ,গাতফান ,মুযায়না ও যুহায়না গোত্রের বিপক্ষে ইহুদীগণ হযরত রাসুল (সা:) ও কুরআন মাজীদের ওসিলা নিয়ে বিজয় অর্জনের জন্য দোয়া করতেন । যার গুন ও বৈশিস্ট সমুহ তারা নিজেদের কিতাবের মাধ্যমে অবগত হয়েছিল , যথন সেই রাসুল (সা:) আগমন করলেন, তখন তারা তাকে অস্বীকার করে বসল , তাই এই কুফরির কারণে কাফের ইহুদীদের উপরে আল্লাহর লানত ।
      যে যে তাফসির গ্রন্ত্র সমুহে এই ঘটনা বর্ণনা আছে নিম্নে নাম দেওয়া হল
      ০১।ফিরুজাবাদী : তানভিরুল মিকবাস তাফসিরে ইবনে আব্বাস
      ০২। তাবরী : জামেউল বয়ান ফি তাফসিরুল কোরআন
      ০৩। আজরী : কিতাবুত শরীয়াহ
      ০৪। শরবীনি: তাফসিরুল সিরাজিল মুনির
      ০৫। নসফী : মাদারিকুত তানযিল ওয়া হাকায়িকুত তাবিল
      ০৬। কুরতুবী : আল জামে লি আল আহকামিল কুরআন
      ০৭। জালাল উদ্দীন সুয়্যুতি : আদ দুররুল মুনসুর
      ০৮। ইমাম রাজী : তাফসিরে কবির
      ০৯। যেমখশরী : আল কাশশাফ
      তাফসির গ্রন্ত্রগুলো দেখুন

      1. ইহুদীরা উসিলা দিয়ে আল্লাহর কাছে চাইলে সেটা কীভাবে হালাল হয়ে গেল? কু’রআন কি সেটাকে বৈধ বলেছে? নবী মুহাম্মাদ ﷺ কি সেটা বৈধ বলে গেছেন?
        আমরা মুসলিম। আমাদের ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করার কথা। আমরা কেন ইহুদীদের অনুসরণ করব?

        1. আপনি এখানে বিষয়টা বুঝতে একটু ভুল করেছেন।
          ইহুদীরা তখনও কাফের ছিলনা তারা তখন আল্লাহর মনোনিত নবী মুসা (আ:) এর উম্মত । তারা আল্লাহর মনোনিত দ্বীনের অনুসারী ছিল।তারা রাসুল (সা:) ও কুরআনের জন্য অপেক্ষমান ‍ছিল তাদের বংশে নবীর আত্নপ্রকাশ না ঘটার কারণে মুলত তারা বিরোধিতা করেছিল। ‍যদি কাফের হত তাহলে রাসুল (সা:) ও কুরআনের উসিলা নেওয়ার বিনিময়ে আল্লাহ তাদের ফরিয়াদ কে কবূল করে বিজয় দান করতনা। তাদের দ্ধারা উসিলা ধরার প্রশ্নই উটতনা । আর প্রখ্যাত মুফাসিররা এই ঘটনা নিজেদের তাফসির গ্রন্ত্র সমুহে লিপিব্দ্ধ করার প্রশ্ন ই আসতনা । রাসুল (সা:) কে অস্বীকার করার কারণে তাদের উপর আল্লাহ অভিশাপ ও লানত এটা বলা হয়েছে। সে সময়ে ইহুদিরা অন্য নবীর কওম হয়ে যদি আমাদের নবীর উসিলায় বিজয় প্রাপ্ত হয় । তাহলে আমরা কি এতই পোড়া কপাল যে স্বর্ং উম্মত হয়ে ও উসিলা নিয়ে লাভবান হবনা কেন ? উসিলা না নেওয়ার পক্ষে কিবা জোরালো হাদিস রয়েছে যে এটা করলে হারামের কাজ করলাম এটা প্রমানিত হয়ে গেল ।কয়েকজন মুহাদ্দিসের বিতর্কিত ফতোয়া ছাড়া তেমন জোরালো কোন রেফারেন্স আছে বলে মনে হয় না ।

  24. abdus sobur says:
    August 22, 2013 at 5:07 am

    আলবানী সাহেবের নিজস্ব ওযেব সাই্টে তার ছাত্রদের লেখা বই পিডি এফে দেয়া আছে। একটু কষ্ট করে পড়তে হবে। একটা বই, যেখানে তার ছাত্র এমন পাচ শ হাদীস এনেছেন যেখানে আলবানী সাহেব কোন হাদীসকে পূর্বে সহীহ, পরে যয়ীফ বলেছেন। এক কিতাবে যয়ীফ, পরে অন্য কিতাবে সহীহ বলেছে।

    আরেকটা কিতাবে তার ছাত্র এধরণের ৩০০ শ হাদীস নিয়ে আলোচনা করেছেন।

    শায়খ সাইদ আল মামদুহ ছয় খন্ডের একটা কিতাব লিখেছেন। আত-তারীফ বিআউহামি মান কাসসামাস সুনান ইলা সহীহ ও যয়ীফ, এই কিতাবে এমন আট শ হাদীস নিয়ে আলোচনা করেছেন যেখানে আলবানী সাহেব ভুল করেছেন।

    হাসান বিন আলি আস সাক্কাফ, তিন খন্ডে কিতাব লিখেছেন। কিতাবের নাম, তানাকুযাতুল আলবানী আল ওয়াজিহাত। এখানে তিনি বলেছেন, আলবানী সাহেবের ১০০০০ স্ববিরোধী বক্তব্য তথা এক কিতাবে এক হাদীস সহীহ অন্য কিতাবে যয়ীফ, অথবা এক কিতাবের এক রাবীকে সহীহ অন্য কিতাবে যয়ীফ, এজাতীয় স্ববিরোধীতা পেয়েছেন। তিনি তিন খন্ড পর্যন্ত ১৩০০ স্ববিরোধী বক্তব্য নাম্বার দিযে আলোচনা করেছেন।

    মি: জাবির আপনি এই কমেন্ট সম্পর্কে কোন মন্তব্য করছেনা কেন বুঝতে পারলাম না । আপনারা আলবানী ও তাইমিয়ার মতকে বেশী প্রধান্য দেন । হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে মুহাদ্দিস সাহেবের যদি এত গন্ডগোল হয় তাহলে সেই মুহাদ্দিসের গুরত্ব কতটুকু থাকে তাতো আপনি বুঝতে পারছেন । এক জায়গায় বলতেছে সহিহ আবার অন্য জায়গায় বলতে যয়ীফ যদি এটা সত্যিই হয় তাহলে সে মুহাদ্দিসকে আমাদের সকলের বয়কট করা উছিত। তার রেফারেন্স নিশ্চিত ভাবে ফিতনার সৃস্টি করবে। আপনি বিষয়টি তদারকি পূবর্ক জানালে খুশি হব। কারণ আপনি তারঁ গ্রন্ত্র থেকে রেফারেন্স দিয়েছেন । রেফারেন্সগুলোর নির্ভরযোগ্যতা যাছাই করা দরকার।
    Reply

    1. আমার এই আর্টিকেলে দেওয়া কোন জাল হাদিসগুলো আল বাণীর সেই বিতর্কিত হাদিসের তালিকায় পড়ে?

  25. “I’m the city of knowledge and Ali is its gate.” You mentioned that this is a fake hadith according to Imam Bukhari. But is it right to say a hadith is fake because a scholar has mentioned such? Do we have to rely on a person’s judgement to consider a hadith sahih?

    03-04-2006, 07:51 AM #5
    abuhajira
    abuhajira is offline
    Mufti abuhajira’s Avatar

    Join Date
    Jun 2004
    Gender
    Brother
    Madhhab
    Hanafi
    Location
    Montreal, Canada
    Posts
    9,033

    Default

    Question: Is this Hadith True?

    Details: assalamu alaikum

    I have a question regarding a hadith of the Prophet. What is the opinion of the Ulama of the Ahlul Sunnah wa’l Jama’aa on the soundness of the hadith “I am the city of knowledge and Ali is its gate. Who ever wants to enter the city must go through its gate”

    Consulted : Maulana Mohammad ibn Maulana Haroon Abasoomer

    In the name of ALLAH Most Gracious Most Merciful

    Assalaamu Alaikum Warahmatullahi Wabarakaatuhu

    The hadith you have mentioned is reported in Maqasid ul Hassana by Allama Shawkani who have said that it is Hassan (Good). The same is also reported by his famous student Allama Zarkani in Mukhtassar Maqasid ul Hassana. Thus the hadith is sound.

    There are many other narations which expound on the excellence of the knowledge of Sayyiduna Ali radiAllahu anhu. For example Rasul Allah Sallallaahu Alayhi wasallam himself has said in one hadith,

    “Abu Ishaq radiallahu anhu narates that when Rasul Allah Sallallaahu Alayhi wasallam got Ali radiallahu anhu married to Sayyida Fatima radiAllahu anha, she said to Rasul Allah Sallallaahu Alayhi wasallam, “You have married me to a man whose eyesight is weak and whose stomach is big.” Rasul Allah Sallallaahu Alayhi wasallam responded by saying, “I have married you to him because from all my companions, he was the first to accept Islam, he has the most knowledge and is the most tolerant.” {Hayaat us Sahaba Vol. 4 Pg. 813 SA Print on authority of Tabarani}

    Sayidduna Ali radiAllahu anhu once said, “By Allah! I know precisely about what every verse of the Quran was revealed, where it was revealed and concerning whome it was revealed. My Rabb has blessed me with a perceptive heart and an eloquent tongue.” {Ibn Sa’d Vol. 4 Pg. 154}

    Similarly the acceptance of such excellence in knowledge was also upheld by other close companions of Rasul Allah Sallallaahu Alayhi wasallam,

    Sayidduna Sa’eed bin Musayyib radiAllahu anhu reports that Sayidduna Umar radiAllahu anhu used to seek Allah’s pretection against any intricate problem which had not been resolved without the help of Sayidduna Ali radiAllahu anhu. {Ibn Sa’d Vol. 4 Pg. 156}

    Therefore the excellence of knowledge of Sayidduna Ali radiAllahu anhu is accepted unanimously by the Scholar of Ahl e Sunnah Wal Jama’ah.

    Wassalaamu Alaikum Warahmatullahi Wabarakatuh

    Abu Hajira bin Abdul Hamid
    Student, Madrasah In`aamiyyah
    Camperdown, South Africa

    Source: http://groups.yahoo.com/group/askimam/message/76

    1. This is what I found, I haven’t verified each of the source myself:
      ======================
      In reference to the following Hadith:

      “I am the city of knowledge and Ali is its gate.”

      It was related by al-Hakim, at-Tabarani and others. It was also related by at-Tirmidhi with the wording, “I am the House of Wisdom, and Ali is its Door.”

      (let us look what the Scholars of Ahlul Sunnah Wal Jamaah have said about this hadith

      Daraqutni labeled the Hadith as mudtarib (shaky), both in isnad and text.
      Tirmidhi labeled it is ghareeb (weak) and munkar (rejected).
      Bukhari said that the Hadith has no sahih narration and declared it un-acknowledgeable.
      Qurtubi said about this Hadith in al-Jame’ li Ahkam al-Quran: “This Hadith is Batil (false)!”
      Ibn Maeen said that the Hadith is a baseless lie.
      Dhahabi considered it a forgery and included it in his book on forged Hadiths.
      Al-Hakim declared that it is weak. Amongst others who dismissed the Hadith are Abu Zur`ah, Abu Hatim, Yahya bin Saeed, etc.
      Albani declared the Hadith to be Mawdoo (fabricated).

      Sources:

      The Hadith (i.e. the city of knowledge…) has been shown/declared to be false/fabricated by the following scholars:

      Yahya Bin Ma’een
      Source: al Jarh wat-Ta’deel 6/99
      Su’alat ibn Junayd #185
      Tareekh Baghdad 11/205

      Ahmad Bin Hanbal
      Source: Tareekh Baghdad 11/49

      Ibn Hibban
      Source: al Majruheen 2/136

      Ibn ’Adi
      Source: al Kamel fi ad-Du’afa 1/311 & 316

      Al-Daraqutni
      Source: Ta’liqat ‘ala al Majruheen 179

      Ibn Tahir al-Maqdisi
      Source: Dhakhirat al Huffadh 5/2578 – Tadhkirat al Huffadh #136

      Ibn Al-Arabi al Maliki
      Source: Ahkam al Quran 3/86

      Ibn A’sakir
      Source: Tareekh Dimashq 45\321

      Ibn Al-Jawzi
      Source: Al Mawdu’at 2/112-116

      Al-Nawawi
      Source: Tahdheeb al Asma’ wal-Lughat 1/348

      Al-Mizzi
      Source: Tahdheeb al Kamal 11/462

      Al Dhahabi
      Source: Mizan al-I’tidal 1/415 – 1/110

      ========================

      Shia’s have presented a very detail refutation here as well:

      http://www.al-islam.org/tahrif/cityofknowledge/

      I am not qualified to judge who is right and who is wrong. I have chosen a set of scholars whom I follow and I convey their opinion only.

  26. Jodi amra valomoto Quran pori tobe khub valobhabei Bichar kora jay kon kon hadis guli durbal o jal, let’s follow the Quran rather confused by Hadis.

  27. আল্লাহ আমাদেরকে সত্য বুঝার তৈফিক দান করুকা। (আমিন)

  28. ওমর আল জাবির ভাই এবং Omar Faruk ভাই কে বলছি, ” ধর্ম নিয়ে আপনার যে বাড়াবাড়ি করছেন সেটা কোন হাদিস এ আছে দয়া করে জানাবেন কি?”
    আর ওমর ফারুক ভাই সম্ভবত “তাবলীগ জামাত” অথবা ভারতের “দেওবন্দ মাদ্রাসা”-এর খাঁটি দালাল।

    1. নাইম খান আপনার কমেন্টটি অনেক দেরীতে আমার নজরে এসেছে । আমি নিশ্চিত আপনি ব্রিটিশ দের দালাল এবং তাদের অনুমোদন প্রাপ্ত নাম আহলে হাদিস নামক নব্য ফেতনার বড় দালাল । এই দালালদের থেকে আল্লাহ আমাদের হেফাযত করুন ।

  29. অনেকেই বলে পীর ধরতেই হবে। এখন পীর ধরার কারন হচ্ছে তার কাছে থেকে কিছু শিক্ষা গ্রহন করা । আমি যদি পীর না ধরে অন্য কোন ভাবে ইসলামের বিষয় সমুহ জ্ঞান অর্জন করি তাহলে হবে কি। যেমন পবিত্র কোরআন, হাদিস, ইত্যাদি

    1. ভাই, আপনি প্রশ্ন করুন: আল্লাহ কি আমাদেরকে বলেছেন পির ধরতে? রাসুল (সা) কি আমাদেরকে বলেছেন পির ধরতে?

      1. সূফিবাদ ও তাসাউফ সম্পর্কে ইমাম গাজ্জালী ( রহঃ) এর মতামত !

        ইমাম গাজ্জালী ( রঃ) যখন এ মন্তব্য করেন তখন ছিল মুসলমানদের চারটি প্রধান দল। কালামপন্থী, তালেমী শিয়া, দার্শনিক ও সূফিদের দল।তিনি বলেন, ”আমি এক একটি দলের মতামত এর যাচাই ও অনুসন্ধান করতে লাগলাম
        ।ইলমে কালামের যত কিতাব ছিল তা পড়লাম,কিন্তু তবুও মনে স্বস্হি পেলাম না।দর্শন শাস্ত্রের ভিতর যা বিশ্বাস করার বিষয় ছিল, তার সাথে মাযহাবের কোন সম্পর্ক নেই। যে অংশ মাযহাবের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল অর্থাৎ আল্লাহর গুনাবলী,তাও বিশ্বাসের ভিত্তির উপর নয়।অতপর যখন সুফিসাধনায় মনোনিবেশ করলাম তখন দেখতে পেলাম যে একমাত্র সুফিগনই হক পথে প্রতিষ্ঠিত আছে ।দীর্ঘদশ বছর যাবত সাধনার মাধ্যমে আমি সন্দেহাতীতভাবে এ সত্যটি উপলব্ধি করেছি যে , সুফি মন্ডলীই আল্লাহর একনিষ্ট সাধক, আল্লাহর পথের যথার্থ পথিক,তাদের তরিকাই হলো সবচেয়ে নিখুত তরিকা।তাদের নৈতিক চরিত্র মানবকুল শ্রেষ্ঠ জীবনধারা,অতি স্বচ্ছ এবং তারা নিখুত ও উন্নত নৈতিকতার অধিকারী ,তাদের নৈতিকতা ও চরিত্র এতই বলিষ্ঠ ও উচ্চমানের যে, সমস্ত দর্শন বিজ্ঞান ও শরীয়তবেত্তাদের যাবতীয় জ্ঞান গরিমার সমন্বয় করেও এর মোকাবেলা করা যাবে না।অনুরূপ বলিষ্ঠ চরিত্র কাঠামো রচনা করা সম্ভবপর হবে না।কারন আধ্যাত্নিক এবং জাগতিক নির্বিশেষে তাদের প্রত্যেকটি কাজ নুরে নবুয়তের দ্বারা স্নাত।এ নুরে নবুয়তকে বাদ দিলে আর কি আছে যাদ্বারা প্রকৃত সত্যের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে।
        ফানাফিল্লাহ আধ্যাত্নিক উৎকর্ষতার সর্ব্বোচ্চ স্তর এতে সন্দেহ নেই।তবে তা কৃচ্ছ্রতা সাধনার পরিনতির দিক থেকে ,অন্যথায় এটাই আধ্যাত্নিকতার প্রথম সোপান,এর পুর্বে যা কিছু করা হয়,সবই এর প্রস্তুতি পর্বে গন্য। ফানাফিল্লাহ থেকে দিব্যজ্ঞান ও দিব্য দৃষ্টির উন্মেষ ঘটে।
        সুফিগন এ সোপানে অনুপ্রবেশ করেই ধ্যানের(মোরাকাবা) মাধ্যমে ফেরেশতা ও নবীদের আত্নার সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ করেন,তাদের কথা শোনেন এবং তাদের সাহায্যে প্রকৃত জ্ঞান আধ্যাত্নিকতার সন্ধান পান।শুধু তাই নয়, তাদের নৈতিক উন্নতি সাধিত হয় এবং সৃষ্টি ও বস্তুজগতের উর্ধ্বে তারা এমন একটি জগতের সন্ধান পান ,যার অবস্হা ও প্রভাব ভাষায় বর্ননা করা যায় না।তা বর্ননার চেষ্টা করলে ত্রুটি বিচ্যুতি না হয়ে গত্যন্তর নেই।তাছাড়া সান্নিধ্য ও মিলনের বর্ননা ভঙ্গি বিশেষজ্ঞগনের একান্ত নিজস্ব।
        মোদ্দাকথা , যে ব্যক্তি তাসাউফের আলো পায়নি, সে নবুয়তের তাৎপর্য উপলব্ধি করতে সম্পুর্ন অক্ষম।মুর্খরাই সুফিবাদের বিবৃত তত্ত্ব ও তথ্যকে অস্বীকার করে এবং তা নিয়ে বিদ্রুপের হাসি হাসে।
        (গ্রন্হ সুত্র- আল-মুনকিজু মিনাদ্দালাল/ ইমাম গাজ্জালী রঃ)

        বি:দ্র: ইমাম গাজ্জালি (র:) আমাদের তথাকথিত ইসলামি চিন্তাবিদদের থেকে অনেক বেশী জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন যা আপনারা তার কিতাব অধ্যায়ন করলে বুঝতে পারবেন আধ্যাত্বিকতা মানেই হচ্ছে শরীয়তের প্রাকটিকেল শরীয়ত বিরোধী বলে তাকে অবজ্ঞা করা মানে মূর্খতা ছাড়া আর কিছুই নয় ।

    2. পবিত্র কুরআন ও হাদিস এর জ্ঞান অর্জন করা অবশ্যই প্রত্যেক মুসলমানদের জন্য ফরজ কাজ…..তবে এই কাজটি আরো সহজ হয় যদি কোন হক্কানী ও আল্লাহওয়ালা ব্যক্তি যিনি সর্বক্ষন দ্বীনের খেদমতে লিপ্ত, তার কাছে গেলে এই কুরআন ও হাদিসের অনেক বিষয় সহজভাবে জানা যায়…….কারন পবিত্র কুরআনে আল্লাহ পাক বলেছেন,”এমন ব্যক্তির অনুসরন কর, যে আমার দিকে ধাবিত হয়েছে”………আর দ্বীনের জ্ঞান বা ইলম্ দুই প্রকার। এক হচ্ছে জাহিরি ইলম আর অপরটি হচ্ছে বাতিনী ইলম বা জ্ঞান……জাহিরি ইলম বা জ্ঞান শরিয়তের হুজুরদের কাছে গেলে পাওয়া যাবে, কিন্তু বাতিনী জ্ঞান বা ইলম অবশ্যই তরিকতের হক্কানী ও আল্লাহওয়ালা ব্যক্তির কাছে যেতেই হবে…….তাহলে দ্বীনের সঠিক জ্ঞান বা আল্লাহকে পাওয়ার জ্ঞান বা ইলম প্রাপ্ত হওয়া যাবে…….সুতরাং যারা পীর ধরা বা ওস্তাদ ধরাকে মন্দ বলেন তারা আসলে মানুষকে সঠিক দ্বীন ইসলামের “সহজ সরল পথ” থেকেই বিচ্যূত করে থাকেন…….দ্বীনকে তারা কঠিন করে তুলেন তাদের নিজেদের দুনিয়াবী কায়েমী স্বার্থ হাছিলের জন্য………আল্লাহ পাক সবাইকে সঠিক দ্বীন বুঝার তেৌফিক দিক……..আমিন

  30. সবইকে ড.খোনদকার আবদুললা জাহাংগীর লিখিত “হাদিসের নামে জালিয়াতি” বইটি পড়ার জন অনুরোধ করছি।

      1. ভাই , প্রচলিত জাল হাদিস নামে যে বই টি আছে তার pdf লিংক জানা আছে ?

  31. এখানে যে আপনি সত্যি কথা বলেছেন তার প্রমান কি?
    আর এগুলো যে মিথ্যা তা আমরা কি করে বিশ্বাস করবো?

    আর আপনার পরিচয়টা দিবেন….

    (AD Yeamin)

    1. সূত্রে দেওয়া বইগুলো পড়ুন, নিজের বিবেক বুদ্ধি ব্যবহার করুন। আপনি আল্লাহর ﷻ সামনে জবাব দেবেন কেন আপনি মানেননি /মেনেছেন, আর আমি আল্লাহকে ﷻ আমার লেখার জন্য জবাব দেবো। আপনার আমাকে জবাব দিতে হবে না, আমারও আপনাকে জবাব দিতে হবে না।

  32. Would have been fantastic if the article had another column with list of muhaddith if any who said any of those Hadith are not maudu. Similarly an explanation of how and why the status has differences.

  33. আপনার কথাই যে সঠিক এর কোন প্রমাণ আপনার কাছে আছে কি? দুই এক জনের কাছে জাল মনে হতে পারে আবার দেখা গেছে অনেকের কাছে তা সঠিক অনুমেয়। তখন ত’ আরো বিপদের পড়া লাগব। এ নিয়ে ‍মুসলমানদের মধ্যে হানাহানি সৃষ্টি হবে। এর দায়-দায়িত্ব কে নিবে?

  34. Assalamu alaikum warahmatullahi wabarakatuhu. Apnar post ta pore valo legeche. Kintu shud er je hadith gulo apni jal bolche, se gulo Allama Nasir uddin Albany ( Rahimahullah ) Sahih bolechen.

    The Prophet (peace and blessings of Allaah be upon him) said: “A dirham which a man consumes as riba knowingly is worse before Allaah than thirty-six acts of zina.” Narrated by Ahmad and al-Tabaraani; classed as saheeh by al-Albaani in Saheeh al-Jaami’, no. 3375. And he said: “There are seventy-two types of riba, the least of which is like a man committing incest with his mother.” Narrated by al-Tabaraani in al-Awsat; classed as saheeh by al-Albaani in Saheeh al-Jaami’, no. 3537.

    Ektu clear korben please.

  35. নারী, ঘোড়া, গাধা কুকুর এরা সামনে থাকলে নামাজ হবে না, এই হাদিস কি জাল?

  36. আমি জ্ঞানের শহর এবং আলি তার দরজা । ইমাম-বুখারি ।এই হাদিসটি ব্যাখ্যা করবেন . please vaia. na hole kono reference diben.ওমর আল জাবির vaia.

  37. ভাই # Shahabuddin# আপনি বলছেন যে নবী নূরের তৈরি,তাও আল্লাহর নূর থেকে,আপনি আল্লাহ কে নূর বলছেন?, আল্লাহ নূর না কি সেইটা কি কোরআনের কোথাও লিখা আছে?,নাই। আল্লাহ কে নূর বলা শির্ক। কারন আল্লাহ দেখতে কেমন বা নূর না কি সেইটা কোরআনের কোথাও নেই,তাহলে আপনি কি করে বলছেন যে নাবী মুহাম্মদ (সঃ) কে আল্লাহ তার নিজের নূর থেকে সৃষ্টি করেছেন??????

    1. Asmaul Husna number 93 :
      ﺍﻟﻨُّﻮﺭُ-An-Nur (The Light)
      who told you Allah is not Nur?
      Who told you calling Allah by An-Nur is Shirk?

  38. 1. Amader deshe onek mufti mohaddis ase tader kase ki er somadhan pabo?
    2. Konta sothik konta sothik na seti janar jonno kon alamer kase jabo bolben ki?
    3. Bangladeshe kon dolti sothik ta janaben ki?

  39. আমি পরিস্কার ভাবে একটি কথা বলব যে অাপনি এখানে যে জাল হাদিসের তার মধ্যে সব না হলে ও কিছু হাদিস অামি সঠিক পেয়েছি|যেমন:(১)মোহাম্মদ হলেন জ্ঞানের শহর এবং অালি তার প্রধান দরজা এসব ইত্যাদি

  40. পৃথিবীর সমস্ত হক পন্তি আলেমদের মতে নাছির উদ্দিন আলবানী ঈমান হারা প্রথভ্রষ্ট, কাফের। কিছু হাদীস এর মধ্যে মতবেদ ও জাল রয়েছে তাই বলে সহীহ হাদীসকে জাল বলা চরম বেয়াদবি। এতে প্রমাণিত হয় আপনিই জাল___ __ __

  41. “বহুল প্রচলিত কিছু জাল হাদিস” বইটির পিডিএফ লিংক চাই?

  42. Dear Omar Al Zabir,
    May we know your academic background. if you are not from islamic education back ground, please leave from commenting on the Quran and Hadith and leave this for Mufti, Maowlana, muffasir and muhaddis.
    Atleast, I will never go to a Doctor who doesn’t have proper education in medicine for my treatment.
    O Allah safe us from this incompetent interference fetna.

    1. I have a Diploma in Islamic Studies, ijajah from Dr. Bilal Philips, and multiple ijajah from Sheikh Akram Hossain Nadwi on various Hadith. I have studied Quran and Tafsir with Azeez Muhammad, Al Azhar, Cairo. Currently last year student on Alimiyyah degree to become a Licensed Scholar. Please make dua for me. May Allaah save us all from vast amount of fake hadith in circulation.

  43. যে ভেজাল লাগাইতেছেন, আপনারা একেকজন একেক রকম বলছে, কোন ইমাম, মোহাদ্দিসগনই ইসলামের বাহিরে কথা বলেননি, কোন ইসলামি জ্ঞানীরা (আলেম) অবশ্যই করনিয় যাকে ফরয বলা হয়, তা নিয়ে দ্বিমত করেননি। দ্বিমত শুধু করলে নেকি না করলে গুনাহ নাই, অথবা কোরআন এ সুস্পষ্ট সমাধান নাই এ জাতীয় বিষয় নিয়ে। আর হাদিস কোনটা সহিহ, কোনটা হাসান, কোনটা জয়ীফ আপনি আমি বূজব কিভাবে? বা বর্তমান হাদিসের বিশেষজ্ঞরা বুজবে কিভাবে? ইমাম বুখারী রহঃ নিজেই বলেছেন আমার এক লক্ষ সহিহ হাদিস মুখস্ত আছে, অনেক হাদিসের হাফেযের নাম আমরা জানি, এমনকি কেও কেও ৩লক্ষ হাদিসের হাফেযও ছিলেন। আর ইমাম আবু হানিফার মত ইমামরাত সাহাবাদের পরের যুগেই হাদিসের সংগ্রহ শুরু করছিলেন, আমরা এখন কিভাবে উনাদের হাদিসের প্রকারভেদ করব। হ্যা হাদিসের উপরে যারা গবেষনা করেন তারা হয়ত কিছুটা আন্দাজ করতে পারবেন। আর আমরা যে বলি বুখারী শরিফ, মুসলীম শরীফ ইত্যাদি সহিহ হাদিস, এই গুলি আমরা কিভাবে পেলাম? কোরআনের কোথাও উল্লেখ আছে? আমি দ্বিমত করছিনা, এই জ্ঞানও আমার নাই, কিন্তু বুজব কিভাবে? হযরত বুখারী রাহঃ এর ১০০/১৫০ বছর আগে যারা হাদিসের বই লিখে গেছেন তাদের হাদিস সহিহ না এটা কি ইমাম বুখারী বলে গেছেন? এর মধ্যে কিছু উনার উস্তাদ ছিলেন, আবার উস্তাদের উস্তাদও ছিলেন। আমি পুরাই ঘুরপাক খাচ্ছি, শুধু নজর রাখি কোন হাদিস মানলে যদি শিরক হয়ে যায় তাহলে এটা আমল করা যাবে না, আর যদি শিরক না হয় বা কোরআন এর বিরুধী না হয় তাহলে নিজের বিবেক কে প্রশ্ন করে মেনে নেই। কারন কোন হাদিসের প্রকারভেদ করার ক্ষমতা এখন থাকার কথা না। শুধু রাবীদের নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। ধন্যবাদ।
    বিঃ দ্রঃ ভূল হতে পারে। কারন আমার ইসলামিক জ্ঞান নাই

  44. ভাইজান,

    সালাম, প্রচলিত কিছু জাল হাদিস বইটি প্রিন্ট কপি আছে ? থাকলে কিভাবে পাবো ?

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.